কিউইদের হোয়াইটওয়াশ করল ভারত

Update: September 3, 2012 15:41 IST

অবশেষে বিদেশের মাটিতে ০-৮'এ হারের ক্ষতে প্রলেপ দেওয়া গেল। ঘরের মাটিতে টেস্ট সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করলেন ধোনিরা। সোমবার বেঙ্গালুরুতে নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টেস্ট সিরিজ ২-০'তে জিতে নিল ভারত। জয়ের জন্য ২৬১ রান তাড়া করতে নেমে প্রাথমিক ধাক্কা কিছুটা সামলে বাগানের শহরে জয়ের ফুল ফুটল ধোনিবাহিনির। জয়ের পিছনে থাকলেন ভারতীয় ক্রিকেটের পোস্টার বয় কোহলি। অপরাজিত ৫১ রানের ইনিংস খেলে দলের নৌকা জয়ের বন্দরে এগিয়ে নিয়ে গেলেন কোহলি। একদিনের ক্রিকেটের 'গ্রেট ফিনিশার' ধোনিও এদিন দারুণ খেললেন। ব্যক্তিগত ৪৮ রানে অপরাজিত থাকলেন মাহি।

হায়দরাবাদে সিরিজের প্রথম টেস্টে জয় এসেছিল সহজে। কিন্তু বেঙ্গালুরুতে জয় পেতে বেশ ঘাম ঝরাতে। প্রথম ইনিংসে একটা সময় ৮০ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। একটা সময় অনামী কিউই পেসারদের সামনে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের বেশ নড়বড়ে দেখিয়েছে। জয়ের আনন্দে এখন সব চাপা পড়ে গেলেও সামনের সিরিজগুলিতে কঠিন প্রতিপক্ষের মুখে পড়তে হবে ভারতকে। তখন...? প্রশ্নটা কিন্তু এই জয়ের আবহেও চাপা পড়ল না।

দ্বিতীয় টেস্টের সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউজিল্যান্ড :৩৬৫,২৪৮। ভারত: ৩৫৩,২৬২/৫




আবার বোল্ড হলেন সচিন তেন্ডুলকর: ব্যাক্তিগত ২৭ রানের মাথায় টিম সাউদির বলে
আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলেন তিনি। চলতি ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজে
ভারতের ৩টে ইনিংসেই বার একইভাবে আউট হলেন সচিন।

আজ সাউদির বল সচিনের প্যাড ছুঁয়ে মিডল স্ট্যাম্প ছিটকে দেয়। বয়সের ভারে
সচিনের ফুটওয়ার্ক নষ্ট হয়ে গেছে বলে ২ দিন আগেই মন্তব্য করেছিলেন সুনীল
গাভাস্কর। ফাস্ট বোলিংয়ের সামনে নাকি বেশ নড়বড়ে লাগে তাঁকে। গাভাস্করের
মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে দেশদুড়ে। তারমধ্যেই আজ সচিনের
আউট আবার সেই বিতর্ককে উসকে দিল।

যদিও আজকে শুরুটা কিন্তু বেশ `সচিনিয়` ভঙ্গিমাতেই করেছিলেন তিনি। ৩৪ বলে
করা ২৭ রানের ইনিংসে ৫ টা ছবির মতন বাউন্ডারি আশা জাগাচ্ছিল বড় স্কোরের।
সবাই যখন
ভাবছিলেন গাভাস্করের মন্তব্যের যোগ্য জবাব আজই দিয়ে দেবেন মাস্টার
ব্লাস্টার, ঠিক তখনই সাউদির একটি আপাত নিরীহ বলে পরাস্ত হলেন সচিন।



Post Your Comment

Total Comments:2

very nice news

When to retire it is purely the decision of a player.But to the best available player is the responsibility of the ors. Sachin is a great player his contribution to the Indian Cricket is great.At the same time India AND BCCI have compensated Sachin equally with lot of honours. eg Rajeeb Gandhi Khel Ratna Award, I.A ,FORCE Granted him honourary post, Nominated to the RajyaSAbha,Even nominated for Bharat Ratna Award Though missed it. Selectors should drop him atleast once and not rested.This will make Sachin either to improve or retire. With Sachin in the team one batsman`s plac is blcked. Sachin if lucky will scor 30-40 runs but mostly he gets out at score bellow 20

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।