অনুপ্রবেশ আটকাতে সীমান্তে টহল বাড়াল ভারত

Update: January 19, 2013 13:11 IST

পাকিস্তান থেকে জঙ্গি ও সেনা অনুপ্রবেশ আটকাতে, নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর নিরাপত্তা ও টহলদারি বাড়াল ভারত। বাড়তি সতর্কতা হিসেবে দেশের নেপাল সীমান্তেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অন্ধকার, ঘন কুয়াশা আর জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে পুঞ্চের মেন্ধর সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে ভারতে ঢুকেছিল পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুদেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চরমে উঠেছে। ভারত ঘটনার কড়া নিন্দা করলেও, হামলা জারি রেখেছে পাকিস্তান। পুঞ্চের ঘটনা নিয়ে দিল্লি-ইসলামাবাদ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যখন চরম তিক্ত চেহারা নিয়েছে, তখনও প্রায় প্রতিদিনই নিয়ন্ত্রণ রেখার ধার থেকে হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান। জঙ্গি অনুপ্রবেশে সুবিধা করে দিতে গুলি বর্ষণ করছে পাক সেনাবাহিনী। এই পরিস্থিতিতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে জম্মু-কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর নজরদারি বাড়াল ভারতীয় সেনা। বারামুলার উরিতে রাতে জোরদার টহলদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রণ রেখা নয়। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কড়া টহলদারি চলছে দেশের নেপাল সীমান্তেও। সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বক্তব্য, নেপাল সীমান্ত একবারেই খোলা। নিরাপত্তা এড়িয়ে ভারতে ঢোকার জন্য জঙ্গিদের কাছে সুবিধাজনক রুট। সেই আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে নেপাল সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।