ভারতের অর্থনীতির অধোগতির পূর্বাভাস দিল ব্রিটিশ সংস্থা

Update: August 10, 2012 22:26 IST

চলতি আর্থিক বর্ষে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৫.৫ শতাংশে নেমে আসবে। মুডি নামে একটি ব্রিটিশ রেটিং সংস্থা এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে। আর এই পূর্বাভাসের পর প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সমালোচনায় সরব হয়েছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহা। তাঁর বক্তব্য, মুডি যে ভাবে প্রধানমন্ত্রীর কাজের সমালোচনা করেছে, তা সত্যি হলেও বিষয়টি অসম্মানজনক।

কিছুদিন আগেই টাইম ম্যাগাজিন প্রধানমন্ত্রীকে `আন্ডারঅ্যাচিভার` বলে সমালোচনা করেছিল। তার কয়েকদিন পর `দি ইকনমিস্ট` তাঁকে `লেম ডাক` তকমা দেয়। আর এ বার রেটিং সংস্থা মুডি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং প্রশাসন আর রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আর্থিক নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। এই সমালোচনাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা যশবন্ত সিং। চলতি অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার কমে দাঁড়াবে পাঁচ দশমিক পাঁচ শতাংশ। এই পূর্বাভাস দিয়ে গোটা পরিস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রীকেই দায়ী করেছে রেটিং সংস্থা মুডি। দুর্বল অর্থনীতি সত্ত্বেও সরকার এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবেই বৃদ্ধির হার কমবে বলে মুডির মত। তার সঙ্গে রয়েছে বৃষ্টির ঘাটতিও। অথচ, ভারতের বৃদ্ধির হার বেশ তীক্ষ্ণ এবং ব্যাপক ছিল। কিন্তু এখন সবক্ষেত্রেই তা শ্লথ হয়ে পড়েছে। সংস্থাটির এই মূল্যায়নকে সম্পূর্ণ সমর্থন করে প্রবীণ বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহা মনমোহন সিংয়ের খারাপ প্রশাসনিক পরিচালন পদ্ধতির সমালোচনা করেছেন।

তবে একটি ব্রিটিশ সংস্থা প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করায় তিনি নিজে যে অসম্মানিত বোধ করেছেন, সে সম্পর্কেও শ্লেষাত্মক মন্তব্য করতে ছাড়েননি যশবন্ত।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।