বেটিং বিতর্কে এবার ভারতীয় ক্রিকেট

Update: October 11, 2011 13:01 IST

কুখ্যাত ক্রিকেট বুকি মাজহার মজিদ এবার তার সঙ্গে যুবরাজ ও হরভজন সিংয়ের যোগাযোগের কথা স্বীকার করলেন। মাজহার মজিদের দাবি কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে বিসিসিআই।
বছর খানেক আগে নিউজ অব ওয়ার্ল্ডে বুকি মাজহর মাজিদের সাক্ষাত্কারে পাকিস্তান ক্রিকেটের সিস্টেমটাই কার্যত ভেঙে পড়েছিল।স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে থাকার অভিযোগে  সলমন বাট,আসিফ,আমেরকে নির্বাসিত করা হয়।এখনও চলছে সেই শুনানি। আর তা মিটতে না মিটতেই এবার গড়াপেটা বিতর্ক আছড়ে পড়ল ভারতীয় ক্রিকেট।
পরিচয়গোপন রাখা এক সাংবাদিককে সাক্ষাত্কারে  মাজহার মাজিদ জানিয়েছেন,যুবরাজ সিং ও হরভজনের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।আর এই বিস্ফোরক মন্তব্যে নড়েচড়ে বসেছে ভারতীয় ক্রিকেটের প্রশাসন।সাংবাদিকের টেপবন্দি এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসে সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টে।পাক ক্রিকেটারদের শুনানির চতুর্থ দিনে।যেখানে বুকি মজিদ শুধু যুবরাজ-হরভজনের নামই জড়াননি,ললিত মোদিকে তার প্রিয় বন্ধু বলেও অভিহিত করেছেন।নির্বাসিত আইপিএল চেয়ারম্যান থেকে ভারতের দুই তারকা ক্রিকেটারের নাম জড়িয়ে পড়ায় দুহাজার সালের পর আবার ভারতীয় ক্রিকেটে গড়াপেটার কালো ছায়া।তবে এই যুবি-ভাজ্জির সঙ্গে বুকির যোগাযোগের কথা উড়িয়ে দিয়েছে বিসিসিআই।বোর্ডের পক্ষ থেকে রত্নাকর শেঠি জানিয়েছেন,বুকি মজিদের এই মন্তব্যে প্রমাণতি হয় না যে, কোনও ভারতীয় ক্রিকেটার গড়াপেটায় জড়িত ছিল।
তবে শুধুমাত্র ভারতীয় ক্রিকেটাররাই নন,ক্রিস গেইল ও রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের কথাও স্বীকার করেছেন বুকি মজিদ।ললিত মোদির পাশপাশি মাইক গ্যাটিং,বয়কট,ইমরানকে তাঁর প্রিয় বন্ধু বলে দাবি করেছেন বুকি মাজহার মজিদ।আর এই টেপবন্দি মজিদের বয়ান প্রকাশ্যে আসায় বিশ্বক্রিকেটে গড়াপেটা নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত,কয়েকদিন আগেই নিজের বইয়ের বেটিংয়ে জড়িয়ে থকার কথা স্বীকার করেছিলেন ইমরান খান।আর বুকি মজিদের এই মন্তব্যে,ইমরানের সেই স্বীকারোক্তির সত্যতা যেন প্রমাণিত।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।