ধোনিদের প্রস্তুতি শিবিরে সচিনের সাধনা

Update: February 16, 2013 19:43 IST

অস্ট্রেলিয়া বধের প্রস্তুতি শিবিরের প্রথম দিনে ভারতীয় ক্রিকেটারদের পাওয়া গেল হালকা মেজাজে। অবশ্য শুধু একজনকে ছাড়া। যিনি ক্রিকেট বিশ্বের কাছে উদাহরণ। সেই সচিন তেন্ডুলকরকে আজ প্রস্তুতি শিবিরে পাওয়া গেল সেই পুরনো মেজাজে। প্রায় দুমাস পর ভারতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিলেন সচিন তেন্ডুলকর। প্রথম দিন বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। অনেকটা সময় কাটালেন নেটে, প্রায় ৪৫ মিনিট ব্যাট করলেন মাস্টার ব্লাস্টার। বেশ ফোকাসড দেখাল তাঁকে।

সিরিজের আগেই তাঁকে চাপে রাখার কৌশল শুরু করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অসি প্রচারমাধ্যম বলছে, এই সিরিজে ব্যর্থ হলেই ক্রিকেটকে আলবিদা জানাবেন সচিন। ওসব নিয়ে নয় সচিন এখন মেতে ক্রিকেটেই। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে নিজেকে প্রমাণ করতে মরিয়া বীরু। ফের টেস্ট দলে সুযোগ পেয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে মরিয়া হরভজন সিংও।

শনিবার থেকে বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে শুরু হওয়া ভারতীয় দলের তিন দিনের প্রস্তুতি শিবিরে সচিনই সব নজর কাড়লেন। ১৮ ফ্রেব্রুয়ারি শেষ হবে এই শিবির। উনিশে ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে প্রথম টেস্ট খেলতে চেন্নাই উড়ে যাবেন ধোনিরা। শিবিরে যোগ দিয়েছেন সবে চোট কাটিয়ে ওঠা উমেশ যাদব ও ইরফান পাঠানও। ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা উমেশ এবং ইরফানকে নেটে চেয়েছিলেন। তাই নির্বাচকরা উমেশ ও ইরফানকে শিবিরে যোগ দিতে বলেন। ভারতীয় দলের এই প্রস্তুতি শিবিরে সচিন, সেওয়াগদের বল করবেন দেশের নয় জন প্রতিশ্রুতিমান পেসার ও ছয় জন স্পিনার।

সারা দেশের প্রতিভা অন্বেষণ শিবির থেকে চূড়ান্ত পনেরো জনকে বেছে বেওয়া হয়েছিল। এদের মুম্বই, চেন্নাই ও মোহালি অ্যাকাডেমিতে বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। প্রথম শিবিরে দীর্ঘক্ষণ ব্যাট করেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ। এই মুহূর্তে খুব একটা ছন্দে নেই এই ভারতীয় ওপেনার।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।