`চর` উপগ্রহ মহাকাশে পাঠাল ভারত

Update: April 26, 2012 09:09 IST

দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম `চর` উপগ্রহ সফলভাবে উত্‍‌ক্ষেপণ করল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। বৃহস্পতিবার সকাল ৫টা ৪৭মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস রিসার্চ সেন্টার-এর উত্‍‌ক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে একটি `পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল (পিএসএলভি)-সি ১৯`-এর সাহায্যে মহাকাশে পাঠানো হয় রাডার ইমেজিং স্যাটেলাইট বা রিস্যাট-১ নামে এই নজরদারী উপগ্রহকে। উত্‍‌ক্ষেপণের ১৯ মিনিট পর রিস্যাট-১-কে পূর্বনির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপন করে পিএসএলভি-সি ১৯।

ইসরো`র প্রধান ড. কে রাধাকৃষ্ণণ এই ঘটনাকে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক `বিরাট পদক্ষেপ` বলে বর্ণনা করে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এটি ইসরোর বিজ্ঞানীদের এক অবিস্মরণীয় অবদান। সাফল্যের জন্য ইসরো-র বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং`ও। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে ইজরায়েলের সহায়তায় বানানো প্রথম গুপ্তচর উপগ্রহ রিস্যাট-২ মহাকাশে উত্‍‌ক্ষেপণ করেছিল ইসরো। কিন্তু রিস্যাট-১-ই সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম গুপ্তচর উপগ্রহ। ১৮৫৮ কিলোগ্রাম ওজনের রিস্যাট-১ এখনও পর্যন্ত ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীদের তৈরি সবচেয়ে ভারি উপগ্রহ। পুরো প্রকল্পের আনুমানিক খরচ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। নিরাপত্তা নজরদারীর পাশাপাশি কৃষি এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলবে যে কোনও ধরনের আবহাওয়ায় কর্মক্ষম এই উপগ্রহ থেকে।

Post Your Comment

Total Comments:5

I CAN NOT EXPRESS MY FEELING WRITE NOW WE R FEEL PROUDE FOR ISRO...JAI HIND..JAI ISRO.

Congratulations all ISRO people. You people our pride. Wish you many more future successes.

Congratulations all ISRO people. You people our pride. Wish you many more future successes.

Congratulations all ISRO people. You people our pride. Wish you many more future successes.

aaj bharat basi hishebe khob garber din.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।