ক্রিকেট ম্যাচে সায় দিলেও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শক্ত ভারত

Update: November 3, 2012 10:19 IST

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ফের ক্রিকেট ম্যাচ শুরু সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও, মুম্বই হামলার চক্রীদের শাস্তির ব্যাপারে ইসলামাবাদকে কড়া বার্তা দিল নয়াদিল্লি। এই প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ বলেন, এটা যেন মনে করা না হয় যে ২৬/১১-র চক্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সুর নরম করছে ভারত।

তাঁর মতে ক্রিকেট ম্যাচ চালু করা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে একটা পদক্ষেপ। তবে সম্পর্কে আস্থা ফেরাতে সবরকম সংঘাতের অবসান হওয়া জরুরি। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান সরকারকে মুম্বই হামলার ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিতে হবে ভারতকে। বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, এতদিন ধরে ব্যবস্থা নেওয়ার যে আশ্বাস পাকিস্তান দিয়ে এসেছে, সেই প্রতিশ্রুতি পালনের এটাই যথার্থ সময়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।