শিল্পোন্নয়ন নিগমের বৈঠকে প্রাধান্য হলদিয়া সমস্যাকে

Update: November 8, 2012 12:25 IST

আজ রাজ্য শিল্পোন্নয়ন নিগমের দফতরে বৈঠকে বসছে শিল্প বিষয়ক কোর কমিটি। রাজ্যের সাম্প্রতিক শিল্প পরিস্থিতিই মূলত উঠে আসবে আজকের বৈঠকে। তবে, প্রাধান্য পেতে পারে হলদিয়া বন্দর সমস্যা। একই সঙ্গে রাজ্যের শিল্পনীতি প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতরের খসড়া নিয়েও আজকের বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আজকের বৈঠকে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় শিল্পমহলের কাছে যে নেতিবাচক বার্তা পৌঁছেছে তা কাটিয়ে ওঠার পদ্ধতিগত দিকগুলোও খতিয়ে দেখা হতে পারে বৈঠকে। অগাস্ট মাসে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত হয় শিল্প বিষয়ক কোর কমিটি। শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র এবং বিদ্যুত্ মন্ত্রী মণীশ গুপ্ত রয়েছেন এই কমিটিতে।

Post Your Comment

Total Comments:2

Meetinger fola fal :- Reporterder kache lomba firisti debe PARTHOBABU, KOYAK LOKHO KOTI TAKAR BINIYOG ASCHE. Proti duminit antor ``MAMATER JAI DHONNI`` PASE HASI HASI MUKHE DARIA THAKBE AMIT o MANISHBABU.KARA KARA ASCHEN KAU GIGGASA KORLE - UTTOR THIK KORAI ACHE ``BETA CPMER DALAL AMI OKE BHALO KORE CHINI``.

Pl note only agriculture cannot take a state forward. It`s the combination of agriculture and industry which would do the magic. If the other states are giving land and other incentives to industrialists you should also give the same at matching rates. Question is can you survive without industries? If not why grumble? Involve all stakeholders and rejuvenate west Bengal. Bengal does not need politicians but only visionaries and utioners who can convert threats into opportunities. One should be open enough to invite suggestions from anybody inclusive of opposition party members and that is where success lies. Pl stop the blame game. It has gone beyond limits!!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।