ইরাকে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, মৃত কমপক্ষে ৩০

Update: April 19, 2012 16:44 IST

ইরাকে ফের ধারাবাহিক বিস্ফোরণে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৩০ জনের। ইরাকের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রক সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাজধানী বাগদাদেই একের পর এক বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। উত্তর ইরাকের কিরকুকে ৯ জন এবং সালাউদ্দিন প্রদেশের সামারায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও উত্তর বাগদাদের বাকুবায় একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। এর আগে ২০ মার্চে লাগাতার বিস্ফোরণ ও গুলি চালনায় ইরাকে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৫০ জনের। আহতের সংখ্যা আড়াইশো ছাড়ায়। সেই হিংসার দায় স্বীকার করেছিল জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা। তবে বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণে এখনও কোনও সংগঠন দায় স্বীকার না করলেও সন্দেহের তির আল কায়েদা`র দিকেই।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।