দিল্লিতে গলায় রড ঢুকিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেফতার অভিযুক্ত

Update: February 6, 2013 10:47 IST

আরও একবার দেশের রাজধানীর নারী সুরক্ষার হাল বেআব্রু হয়ে গেল। দক্ষিণ দিল্লির লাজপত নগরের ১৯ বছরের এক তরুণীর বাড়িতেই তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করল এক ইলেকট্রিক মিস্ত্রী। মেয়েটি সাহায্যের জন্য চিৎকারকে বন্ধ করতে তাঁর গলায় লোহার রড ঢুকিয়ে দিল ঐ ব্যক্তি।

মঙ্গলবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিস।

চলতি সপ্তাহের সোমবার সন্ধে সাড়ে ৮টা নাগাদ অনিল কুমার নামক এক ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রী ইলেক্ট্রিকের মাসিক পাওনা আদায়ের জন্য ওই তরুণীর বাড়িতে যায়। সেখানে মেয়েটিকে একা পেয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটি অনিল কুমারকে বাধা দিয়ে সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাকলে সে মেয়েটির গলার মধ্যে লোহার রড ঢুকিয়ে দেয়।

মেয়েটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে যান। কিন্তু ততক্ষণে অনিল কুমার পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপারেশনের পরেও এখনও মেয়েটির সঙ্কট কাটেনি বলেই সূত্রের খবর।

পরে হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে অনিল কুমারকে পুলিস গ্রেফতার করেছে।

দিল্লির বাসে গণধর্ষণ কাণ্ডের পর দেশ জোড়া প্রতিবাদের জেরে ফাস্টট্র্যাক কোর্ট গঠন করে বিচার শুরু হয়ে গেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের নারীনির্যাতন বিরোধী নয়া অর্ডিন্যান্সে শিলমোহর লাগিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু তাতেও যে রাজধানী তথা সমগ্র দেশে নারী সুরক্ষার বেহাল দশার বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়েনি লাজপর নগরের ঘটনা আরও একবার তা প্রমাণ করল।

Post Your Comment

Total Comments:5

bichar chai

aamar mona hoy soudi moto ein korka toba ata poro bondho hobea. na hola kono din bondho korta parba na india sorkar.

avijuktader amar mate soja mrittudander shasti-i thik.

Amr jeta mone hoy Dorshon kande dhora pore promanito holei fasi othoba jounango chhed kore dewa uchit.

Amr jeta mone hoy Dorshon kande dhora pore promanito holei fasi othoba jounango chhed kore dewa uchit.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।