শ্রীনগর হামলার তদন্ত করবেন ডিজিপি

Update: March 14, 2013 12:11 IST

গতকাল সিআরপিএফ ক্যাম্পে জঙ্গি হানার ঘটনায় পুলিসের ডিরেক্টর জেনারেলকে তদন্তের নির্দেশ দিল জম্মু ও কাশ্মীর সরকার। ক্যাম্পে আচমকা জঙ্গি হামলায় সেনাবাহিনীর গুলিতে এক যুবকের মৃত্যু হওয়ার ঘটনারও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রাতে মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লার নেতৃত্বে একটি বৈঠকের পর এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, "ডিজিপি শ্রীনগরে গিয়ে বিস্তারে তদন্ত করবেন।"

শ্রীনগরের ঘটনায় ৭৩ ব্যাটেলিয়নের ৫ জন জওয়ান মারা যান। আত্মঘাতী হানায় আরও ছ`জন আহত হন। গুলির লড়াইয়ে পাল্টা হামলায় দুই জঙ্গিও নিহত হয়েছেন। জুনিমারের কাছে হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে অশান্তিতে ৭৩ ব্যটিলিয়ায়নের গুলিতে এক সাধারণ মানুষ মারা গিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বেমিনায় জঙ্গি হামলার কড়া নিন্দা করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের ওই মুখপাত্র জানিয়েছেন, গত কালের বৈঠকে ন্যাশানাল কনফারেন্স দলের সমর্থক আলতাফ আহমেদ ওয়ানির মৃত্যুর ঘটনার বিষয়টিও আলোচনা করা হয়েছে।

পাহাড়ে নতুন করে বিশৃঙ্খলা ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা। ন্যশালান কনফারেন্স সমর্থকের মৃত্যুর ঘটনার জেরে শ্রীনগরে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।