উঠল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘেরাও

Update: March 8, 2013 10:39 IST

টানা ২২ ঘণ্টা পর উঠল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘেরাও। গতকাল বিকেল থেকে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দিন ঘোষণার দাবিতে কর্তৃপক্ষকে ঘেরাও করে রেখেছিল তিন ছাত্র সংগঠনের সমর্থকেরা। প্রায় ২২ ঘণ্টা ঘেরাও ছিলেন উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, ডিনসহ এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যরা।

তৃণমূল ছাত্র পরিষদ বাদ দিয়ে প্রায় সবকটি ছাত্র সংগঠনই অংশ নিয়েছিল এই ঘেরাও-এ। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ থাকলেও কেন নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ছাত্র সংগঠনগুলি। একইসঙ্গে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর জারি করা স্থগিতাদেশ কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে রাজ্যপাল এম কে নারায়ণ জানিয়েছেন তিনি ঘেরাওয়ের বিপক্ষে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটে থেকে শুরু হয় ঘেরাও।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।