তৃতীয় দিনেও জগনকে ম্যারাথন জেরা সিবিআইয়ের

Update: May 27, 2012 12:09 IST

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির অভিযোগে, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের প্রধান জগনমোহন রেড্ডিকে আজ ফের জেরা করছে সিবিআই। হায়দরাবাদের দিলখুশা গেস্ট হাউসে জেরা করা হচ্ছে তাঁকে। জগনমোহন রেড্ডিকে শুক্র ও শনিবারও দীর্ঘসময় জেরা করেন সিবিআই অফিসাররা। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার তাঁর ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জগনমোহন রেড্ডি। জগনমোহনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাবা ওআইএস রাজশেখর রেড্ডি অন্ধ্রপ্রদেশ মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন, রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে অনৈকভাবে সম্পত্তি বাড়িয়েছেন। 

অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের নির্দেশে জগনমোহন রেড্ডির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। তাঁর আগাম জামিনের আবেদন ইতিমধ্যেই খারিজ করে দিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট। জগনমোহনকে গ্রেফতার করা হলে, তাঁর সমর্থকরা হায়দরাবাদ ও অন্ধ্রপ্রদেশের অন্যত্র গোলমাল চালাবে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথাযথ রাখতে হায়দরাবাদ সমেত অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।