জন্মদিনে জগজিৎ সিংকে গুগলের ডুডলিং শ্রদ্ধার্ঘ

Update: February 8, 2013 15:58 IST

গজল সম্রাট জগজিৎ সিংয়ের ৭২তম জন্মদিনে গুগল তাদের ডুডলিং শ্রদ্ধার্ঘ জানাল। আজকের গুগল ডুডলে জগজিত সিংয়ের সেই পরিচিত হারমোনিয়াম নিয়ে গান গাওয়ার ভঙ্গী।

আগ্রা ঘরানার ভারতীয় ক্লাসিকাল সঙ্গীতের এই কিংবন্তী হিন্দির সঙ্গে সঙ্গে পাঞ্জাবি, উর্দু, গুজরাতি সিন্ধি,নেপালি, বাংলা সহ বহু ভারতীয় ভাষায় গান গেয়েছেন। স্ত্রী চিত্রার সঙ্গে জুড়ি বেঁধে উপহার দিয়েছেন ১৯৭০ থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত একের পর এক অবিস্মরণীয় গান উপহার দিয়েছেন জগজিৎ। গান গেয়েছেন `তারকিব` ও `সরফরশ`-এর মত বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমাতেও।

২০১১ তে প্রয়াত হয়েছেন জগজিৎ সিং। কিন্তু এখনও বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি তাঁর জনপ্রিয়তায়। গুগলের তথ্য বলছে ভারতীয় গায়কদের মধ্যে এখনও যাঁর নাম সর্বাধিক সার্চ করা হয় তিনি জগজিৎ সিং।







Post Your Comment

Total Comments:1

Valo gayok jagjit shing.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।