লালগড়ে দাঁড়িয়ে পঞ্চায়তে জোর লড়াইয়ের ডাক দিলেন জয়রাম

Update: December 8, 2012 17:06 IST

লালগড়ে কংগ্রেসের সভামঞ্চ থেকে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের দলের সাংগঠনিক লড়াই মজবুত করার ডাক দিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী জয়রাম রমেশ। এদিন জয়রামের নজরে একদিকে ছিল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন, তেমনই তার নিশানায় ছিলেন মুখ্যমুন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়রাম বলেন, "কংগ্রেসকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেউ সরাতে পারবে না`। পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রদেশ কংগ্রেস নতুন রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে লড়াই করবে বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

লালগড়ে দাঁড়িয়ে রাজ্যসরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুরধার ছিলেন রমেশ। তৃণমূল কংগ্রেসে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে তিনি বলেন, "কংগ্রেস কোনও দলের বি টিম নয়।" রাজ্য সরকার কেন্দ্রের সবকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে না বলেও মন্তব্য করেছেন রমেশ। রাজ্যে তিনটি জেলা মাও অধ্যুষিত। রাজ্যের মাওবাদীদের কথা মাথায় রেখে তিনি বলেন, "মাওবাদীদের জন্য আমাদের দরজা খোলা আছে, আমরা আলোচনা করতে চাই।" কেন্দ্রীয় সাহায্যেই গত তিন বছরে জঙ্গলমহলে পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী।

ঠিক এক বছর আগে শেষবার যখন জয়রাম জঙ্গলমহলে এসেছিলেন সঙ্গে ছিলেন তৎকালীন গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শিশির অধিকারীর। এই একবছরে সময়টা অনেকটা পাল্টেছে। দিল্লিতে কংগ্রেসের সঙ্গ ছেড়েছে তৃণমূল। আজকে কংগ্রেসের সভায় জয়রাম রমেশের পাশাপাশি অন্য দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অধীর চৌধুরী ও দীপা দাশমুন্সীও ছিলেন। রাজ্যসরকারের ব্যর্থতা ও সন্ত্রাস নিয়ে সমালোচনা করেছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী বলেন, "জঙ্গলমহলের মানুষের দারিদ্র-হতাশার পরিবর্তন হয়নি।" রাজ্যে একশ দিনের টাকা নয়ছয় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন অধীর।

Post Your Comment

Total Comments:3

Chalni chhucher futo khujje.

Chalni chhucher futo khujje.

Chalni chhucher futo khujje.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।