রক্তাক্ত সেই বাগানে পা রাখলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

১৯১৯-এর সেই কালো দিনটায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছিলেন, তাঁদের পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ব্রিটেনের তরফে জালিয়ানওয়ালাবাগ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করা হোক। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে তিনিই প্রথম। ডেভিড ক্যামেরন। ভারত সফরে এসে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সবচেয়ে রক্তাক্ত অধ্যায়ের আঁচে পেতে পঞ্চাবের সেই বাগানে ঘুরে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

Updated: Feb 20, 2013, 04:21 PM IST

১৯১৯-এর সেই কালো দিনটায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছিলেন, তাঁদের পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ব্রিটেনের তরফে জালিয়ানওয়ালাবাগ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করা হোক। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে তিনিই প্রথম। ডেভিড ক্যামেরন। ভারত সফরে এসে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সবচেয়ে রক্তাক্ত অধ্যায়ের আঁচে পেতে পঞ্চাবের সেই বাগানে ঘুরে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
ক্যামেরন জালিয়ানওয়ালাবাগের ভিসিটর বুকে লিখিত বয়ানে স্বীকার করে নিয়েছেন, ব্রিটিশ ইতিহাসে ঘটে যাওয়া জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকণ্ড লজ্জাজনক ঘটনা। তিনি লিখেছেন ,"উইনস্টন চার্চিল যথার্থ বলেছেন, সে সময় কী দানবীয় ঘটনা ঘটেছিল এখানে।" তিনি আরও বলেন, "কী ঘটেছিল তা কখনই ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়।" সেইসঙ্গেই যুক্তরাজ্য যে সবসময় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সমর্থন করে সে কথাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ক্যামেরুন।

১৯১৯-এ জেনারেল ডায়ারের এক নির্দেশে ব্রিটিশ পুলিস সে দিন হাজার মানুষের প্রাণ ঝাঁঝরা করে দেয়। জালিয়ানওয়ালাবাগ পরিদর্শন করলেও নৃশংস সেই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশের ধার ধারেননি ক্যামেরুন। এ দিন সকালে স্বর্ণমন্দিরেও যান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। আজ সকালে অমৃতসরে পৌঁছনোর পর ক্যামেরনকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল। জালিয়ানওয়ালাবাগে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান ক্যামেরন। কিন্তু ঐতিহাসিক সেই স্থান ছাড়ার আগে ক্যামেরনের চোখেমুখে ছিল অদ্ভুত স্তব্ধতা।