মুম্বইয়ের `তারকা` প্রতিবাদে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জয়া

Update: December 30, 2012 00:00 IST

দিল্লিতে নির্যাতিতা তরুণীর মৃত্যুর প্রতিবাদে পথে নামল মুম্বই। সন্ধেয় মোমবাতি মিছিলে সামিল হন বহু মানুষ। মিছিলে হাজির ছিলেন জয়া বচ্চন, হেমা মালিনী, ওম পুরীসহ বিশিষ্টজনেরা। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জয়া বচ্চন। এই লজ্জা যেন আমাদের বিবেককে জাগিয়ে দেয়, বললেন হেমা মালিনী।

অভিনেত্রী সাবানা আজ একটি টুইট করেন। তাঁর টুইটে তিনি সিনেমা এবং থিয়েটার জগতের সমস্ত কলাকুশিলবদের সঙ্গেই মুম্বইয়ের সাধারণ মানুষকে মেয়েটির মৃত্যুর প্রতিবাদে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান। জুহু বিচের গান্ধী মূর্তির পাদদেশে মুম্বইয়ের রুপোলী জগতের মানুষদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ মানুষও।

আজকের এই প্রতিবাদে যোগ দেন কৈলাশ খের থেকে শুরু করে জাভেদ আখতার, কুণাল কাপুর, সোনু নিগম, সতীশ কৌশিকের মত আরও বহু তারকারা।

Post Your Comment

Total Comments:2

bollywood actor/actress der aro oneeeeek aage move kora uchit chilo. but still better late than never. ei protest eksathe ekdine sara prithibite sob mohila der kora uchit.

tomader songe amio achhi mumbai

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।