যৌতুকে স্বামীকে দিতে হয়েছিল কিডনি, তাও কমেনি অত্যাচার, সহ্য করতে না পেরে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী হাজারিবাগের গৃহবধূ

বিয়ের সময় যৌতুক হিসাবে স্বামীকে দিতে হয়েছিল নিজের একটা কিডনি। কিন্তু তাতেও শ্বশুরবাড়িতে অত্যাচারের মাত্রা বিন্দুমাত্র কমেনি। অত্যাচার সহ্য করতে বা পেরে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী হলেন ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগের এক গৃহবধূ।

Updated: Apr 24, 2014, 04:53 PM IST

বিয়ের সময় যৌতুক হিসাবে স্বামীকে দিতে হয়েছিল নিজের একটা কিডনি। কিন্তু তাতেও শ্বশুরবাড়িতে অত্যাচারের মাত্রা বিন্দুমাত্র কমেনি। অত্যাচার সহ্য করতে বা পেরে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী হলেন ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগের এক গৃহবধূ।

পুনম দেবী নানের বছর ২৮-এর ওই তরুণী গৃহবধূ গত মঙ্গলবার মৃত্যুর সঙ্গে এক সপ্তাহের অসম যুদ্ধের পর শেষপর্যন্ত প্রাণ হারালেন।

পুনম দেবীর বাড়ির তরফ থেকে করা এফআইআর-এ তাঁর শাশুড়ির বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। ছ`মাস আগে পুনম দেবীর স্বামী সুদামা গিরি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর উভয় কিডনিই বকল হয়ে যায়। পুনমের শাশুড়ি লিখিত ভাবে জানান পুনম যদি তাঁর স্বামীকে একটি কিডনি দেন তাহলে তাঁরা পুনমের উপর অত্যাচার বন্ধ করবে। যৌতুকে বাকি ২৫,০০০ টাকার জন্যও পুনমের বাবার উপর চাপ দেওয়া বন্ধ করবে।

২০০৬ সালে বিয়ের সময় গিরির পরিবার পুনমের পরিবারের কাছ থেকে যৌতুক হিসাবে ১.৩১ লক্ষ টাকা নিয়েছিল।

তবে কিডনি দেওয়ার পরেও প্রতিশ্রুতি মত বিন্দুমাত্র কমেনি অত্যাচার। চলতি মাসের ১৬ তারিখ অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গায়ে আগুন দেন পুনম। সাঙ্ঘাতিক দগ্ধ অবস্থায় রাঁচির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় পুনমকে।

পুলিস এখনও পুনমের শ্বশুরবাড়ির কাউকে গ্রেফতার করেনি। তাদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে তদন্ত চলছে।