একশ দিনের কাজের তদারকি করতে সোমবার সুব্রতকে ফোন করবেন জয়রাম

Update: September 29, 2012 21:30 IST

প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ  হওয়ার পর, এবার একশ দিনের কাজের প্রকল্পে গতি আনতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী জয়রাম রমেশের সঙ্গে কথা বলবেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সোমবার টেলিফোনে তাঁদের কথা হবে বলে মহাকরণ সূত্রে জান গিয়েছে। সমর্থন তোলার পর কেন্দ্রের অসহযোগিতার প্রসঙ্গ যখন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে, তখন পঞ্চায়েতমন্ত্রীর দাবি, কেন্দ্রের থেকে যথেষ্টই সহযোগিতা পাচ্ছে তাঁর দফতর।   

কিছুদিন আগেও বাম প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর, কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী সমালোচনা করেন এ রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের কাজ নিয়ে। তা নিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও। তখন কংগ্রেস-তৃণমূল জোট টিকে ছিল। এখন জোট নেই। একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন দু`দলের নেতারা। এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আগামী সোমবার টেলিফোনে কথা হতে চলেছে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী জয়রাম রমেশের সঙ্গে সুব্রত মুখার্জির। বিষয়, একশ দিনের কাজে বায়োমেট্রিক কার্ডের ব্যবহার।
 
কেন্দ্রের কাছে আর্থিক দাবিতে যখন সরব তাঁর দলের শীর্ষ নেতারা, তখন রাজ্যে সড়ক নির্মাণের জন্য পঞ্চায়েত দফতরকে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা প্রকল্পে ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। আর এতে উচ্ছ্বসিত সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, পঞ্চায়েত দফতর নিয়ে তাঁকে কোনও প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পড়তে হয়নি।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।