নিরপেক্ষতা প্রশ্নে কাটজুর পদত্যাগের দাবি জেটলির

Update: February 17, 2013 17:42 IST

প্রেস কাউন্সিল চেয়রম্যান মার্কন্ডেও কাটজুর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিৎ বলে মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি। কাটজুর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জেটলি। বিহার, গুজরাত ও পশ্চিমবঙ্গে অকংগ্রেসী সরকারদের নিয়ে করা বিতর্কিত মন্তব্যে কাটজুকে আক্রমণ করেছে বিজেপি।

দলীয় ওয়েবসাইটে ভারতীয় জনতা দলের নেতা কাটজুকে কার্যত কটাক্ষ করেন। গত সপ্তাহে প্রেস কাউন্সিলের তরফে একটি বয়ান পেশ করে কাটজু বিহারের সংবাদমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই প্রসঙ্গেই তাঁর সমালোচনা করেছেন জেটলি। এর পাশাপাশি এক ইংরাজি দৈনিকেও গুজরাত মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনায় সরব হন প্রেস কাউন্সিলের চেয়রম্যান।

সেইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের কোনও প্রাক্তন বিচারপতির অবসরের পর সরকারি পদে থাকা উচিৎ নয় বলে মন্তব্য করেছেন অরুণ জেটলি। তিনি বলেন, "প্রেস কাউন্সিলের চেয়রম্যানের পদে থেকে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা বজায় রেখে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা করা উচিৎ নয়।"

প্রসংগত, ২০০৬-এর এপ্রিল থেকে ২০১১-র সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ছিলেন মার্কন্ডেও কাটজু।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।