করাঞ্জি

Update: November 12, 2012 16:56 IST

দীপাবলি মানেই মিষ্টিমুখ। লাড্ডু, কাজু বরফি, মালপোয়ার মাঝে স্বাদ বদলাতে লাগবে মুখরোচক নোনতা গাঠিয়া বা করাঞ্জি। অনেকটা আমাদের ভাজাপুলির মতো হয় এই করাঞ্জি। নারকেলের পুরে ভরা নোনতা স্বাদের করাঞ্জি জমিয়ে রাখতে পারেন পৌষপার্বণের জন্যও।

কী কী লাগবে

পুরের জন্য


নারকেল কোরা: ১ কাপ
গুঁড়ো চিনি: ১ কাপ
জায়ফল গুঁড়ো: ১ চিমটে
আদা গুঁড়ো: ১ চিমটে
এলাচ: ৪টে
ময়দা: ২ চা চামচ
পোস্ত: ২ চা চামচ
মেওয়া: ২ টেবিল চামচ (কাজু, কিসমিস, পেস্তা, আমন্ড মেশানো)

ময়দা মাখার জন্য

ময়দা:
১ কাপ
ঘি: ১ চা চামচ
নুন: এক চিমটে
গরম দুধ

কীভাবে বানাবেন

ময়দা মাখা:
এক টেবিল চামচ ঘি, এক চিমটে নুন ও গরম দুধ দিয়ে ময়দা মেখে নিন। চেষ্টা করবেন একটু ঠেসে মাখতে। নাহলে করাঞ্জি বানাতে অসুবিধা হবে।

করাঞ্জির পুর: শুকনো খোলায় নারকেল কোরা ভেজে নিন। ময়দা ঘি দিয়ে ভেজে নিন। পোস্তও শুকনো খোলায় নেড়ে নিন। এবারে নারকেল কোরা, ময়দা ও পোস্ত একসঙ্গে মেখে নিন।

পুর তৈরি হয়ে গেলে ময়দা মাখা থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে নিন। হাতে একটু জল লাগিয়ে নিয়ে বুড়ো আঙুলোর চাপে পুলি পিঠের মতো বাটি গড়ে নিন। এবারে পুর ভরে আঙুলের চাপে দুপাশ পুলি পিঠের মতো আটকে নিন। সোনালি রং ধরা পর্যন্ত মুচমুচে করে ভেজে নিন। গরম বা ঠান্ডা যেমন ভাবে খুশি পরিবেশন করতে পারেন।














Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।