রেজ্জাককে দেখতে হাসপাতালে কারাট

Update: January 17, 2013 21:59 IST

আজ ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক রেজ্জাক মোল্লাকে দেখতে হাসপাতালে যান সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। মিনিট দশেক কথাও হয় রেজ্জাক মোল্লার সঙ্গে। যতদিন প্রয়োজন রেজ্জাক মোল্লা হাসপাতালে থাকবেন বলেও জানান তিনি।    

কেন্দ্রের ডিজেলের মূল্য আংশিক বিনিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করল সিপিআইএম। সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট জানিয়েছেন কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ। ডিজেলে মূল্য বিনিয়ন্ত্রণের অর্থ লাগাতার ডিজেলের দাম বাড়া। 

ভাঙড়কাণ্ডে আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতারের ঘটনা সরকারের প্রথম পদক্ষেপ। তবে আইন যেন আইনের পথে চলে। রেজ্জাক মোল্লার ওপর হামলার ঘটনার সুবিচার হয়। বললেন সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। পূর্ব ক্যানিংয়ের বিধায়ক রেজ্জাক মোল্লাকে দেখতে আজ হাসপাতালে যান প্রকাশ কারাট। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।