বাগানে সুখবর, করিমের সঙ্গে ফিরছেন টোলগে

Update: November 5, 2012 22:15 IST

ঘরোয়া ও আইলিগ মিলে টানা তিনটি ম্যাচে জয়। মোহনবাগানের চাকা খানিকটা হলেও উল্টোপথে ঘুরছে। কাকতালীয়ভাবে করিম বেঞ্চিরিফার নাম ঘোষণার পর থেকেই জয়ের রাস্তায় ফিরেছে মোহনবাগান। সহকারী কোচ মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায় ও হেমন্ত ডোরার তত্বাবধানে মোহনবাগান জয় পেলেও বারবারই সাফল্যের কাণ্ডারি হিসেবে উঠছে করিমের নাম। সোমবার অনুশীলন শেষে কোচ হেমন্ত ডোরার সাফ জবাব,এয়ার ইন্ডিয়া ম্যাচ ছাড়া কোনও ম্যাচের আগে করিমের সঙ্গে তাঁদের কথা হয়নি। তিনি ও কোচ মৃদুল ম্যাচ অনুযায়ী স্ট্র্যাটেজি তৈরি করেছেন।

করিম আগমনের সঙ্গেই হয়ত হবে টোলগের মাঠে প্রত্যাবর্তন। পায়ে চোট পেয়ে এখন সম্পূর্ন বিশ্রামে মোহনবাগানের অসি স্ট্রাইকার।দশদিনের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।ফলে আগামি নয় তারিখ ওএনজিসির বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচেও নেই টোলগে।পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে,তাতে করিম দায়িত্ব নেওয়ার পরই খুব সম্ভবত ম্যাচ খেলবেন টোলগে।
 
টোলগে ছাড়াও চোটের তালিকায় নতুন সংযোজন মনীশ মাথানি। গোড়ালির চোটের জন্য ওএনজিসি ম্যাচে নেই মনীশ।এদিকে চোটের জন্য স্পোর্টিং ক্লুব দ্য গোয়া ম্যাচে খেলতে না পারলেও ওএনজিসি ম্যাচের আগে ফিট হয়ে যেতে পারেন  গোলরক্ষক অরিন্দম ভট্টাচার্য।

স্পোর্টিং ক্লাব দ্য গোয়া ম্যাচের পর আবার বদলে যাচ্ছে মোহনবাগানের স্ট্র্যাটেজি। ৩-৫-১ স্ট্র্যাটেজি থেকে বেরিয়ে মোহনবাগান আবার ফিরে যাচ্ছে ৪-৪-২ ছকে। সোমবার থেকেই শুরু হল ওএনজিসি ম্যাচের প্রস্তুতি।সেই ম্যাচে আবার আপফ্রন্টে শুরু করবে ওডাফা-স্ট্যানলি জুটি। সোমবার অনুশীলন থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছিল স্পোর্টিং ম্যাচে খেলা ফুটবলারদের।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।