কসাভের ফাঁসিতে সরাবজিতের মুক্তি প্রক্রিয়া জটিল হওয়ার আশঙ্কা

Update: November 21, 2012 15:35 IST

আজমল কসাভের মৃত্যুদণ্ড প্রভাব ফেলতে পারে পাক জেলে বন্দি সরাবজিত সিংয়ের প্রাণভিক্ষার আবেদনের ওপর। পাক প্রেসিডেন্টের দফতর সূত্রে এমনই জানা গেছে। ১৯৯০-এ পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্ত সরাবজিত সিং। 

দীর্ঘদিন ধরেই গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পাক জেলে বন্দি তিনি। তাঁর মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেয় পাক আদালত। এরপর পাক প্রেসিডেন্টের কাছে বারবার প্রাণভিক্ষার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। ভারত সরকারের তরফেও সরাবজিতের মুক্তির বিষয়ে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

আজমল কসাভের ফাঁসির পর এবার সরাবজিত সিংয়ের মুক্তির বিষয়ে কী জটিলতা তৈরি হবে? এখন এ প্রশ্নই বিভিন্ন মহলে উঠতে শুরু করেছে। তবে পাকিস্তান এবং এ দেশের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের বক্তব্য, সরাবজিত ইতিমধ্যেই পাক জেলে প্রায় একুশ বছর সাজা কাটিয়ে ফেলেছে। সুতরাং তাঁর মুক্তির বিষয়েই পাক প্রেসিডেন্টের ভাবনা চিন্তা শুরু করা উচিত।  





Post Your Comment

Total Comments:1

এটা আগে ভাবা উচিত ছিল

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।