প্রিয়াঙ্কার মুখও দেখতে চান না ক্যাটরিনা!

Update: March 4, 2013 11:07 IST

এমনিতে দুই মহিলার মধ্যে বনিবনা না হলে চুলোচুলি হওয়াটা নাকি খুব স্বাভাবিক। আর দুই বাঘা সুন্দরী নায়িকার মধ্যে বনিবনা না হলে! উত্তরটা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। তবে বলিউডের দুই সুন্দরী নায়িকা ইদানীং যা করছেন তাতে মনে হচ্ছে এ বিষয়ে খুব তাড়াতাড়ি একটা সিদ্ধান্তে আসা যাবে।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে ক্যাটারিনা কাইফের সম্পর্কটা শুরু থেকেই বেশ খারাপ। এই অম্লমধুর সম্পর্কটা নিয়ে বলা হয় ক্যাট- বিল্লির চুলোচুলি। সেই খারাপ সম্পর্কের একটা বড় উদাহরণ দেখা গেল কদিন আগে। মুম্বইয়ের এক স্টুডিওতে প্রিয়াঙ্কার চোপড়া যখন আইটেম গানের শ্যুটিং করছেন, তখনই অন্য এক সিনেমার কাজে সেই স্টুডিওতে হাজির হন ক্যাটরিনা কাইফ। কিন্তু যখনই ক্যাটরিনা শুনতে পান স্টুডিওর ভিতরে প্রিয়াঙ্কা আছেন, সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে চলে যান ক্যাট। অথচ স্বাভাবিকভাবে দেখলে এমনিতে ক্যাটের স্টুডিও ছাড়ার কোনও কারণ নেই। কদিন আগে অবশ্য ক্যাটরিনারকে কিছুটা ঘুরিয়ে সমালোচনা করে প্রিয়াঙ্কা বলেছিলেন, `এখন বলিউডে অনেক নকল বিদেশী নায়িকারা ঘুরে বেড়াচ্ছে।` তার আগে ক্যাটরিনা বলেছিলেন, তিনি প্রিয়াঙ্কার কোনও সিনেমা দেখেন না। এমনকি তাতে রণবীর কাপূর থাকলেও!





Post Your Comment

Total Comments:1

tamra khub valo vabe thako jhogra koriyo na

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।