কেজরিওয়ালের নিশানায় এবার ভারতের শিল্পপতিরা

দুর্নীতিগ্রস্থ রাজনৈতিক নেতাদের মুখোশ খুলতে ব্যস্ত কেজরিওয়ালের নিশানা এবার সুইস ব্যঙ্কে গচ্ছিত রাখা কালো টাকার ব্যাপারীরা। শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে ইন্ডিয়া এগেনস্ট করাপশনের নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল সুইস ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্টধারীদের নাম প্রকাশ করেছেন। আইএসি-র তরফে এও অভিযোগ করা হয়েছে, জেনেভার এইএসবিসি ব্যঙ্কে মোট ৭০০ জন ভারতীয়র কালো টাকা গচ্ছিত আছে। সে সম্পর্কে ভারত সরকার সব তথ্যই জানে বলেও অভিযোগ এনেছেন কেজরিওয়াল।

Updated: Nov 9, 2012, 03:47 PM IST

দুর্নীতিগ্রস্থ রাজনৈতিক নেতাদের মুখোশ খুলতে ব্যস্ত কেজরিওয়ালের নিশানা এবার সুইস ব্যঙ্কে গচ্ছিত রাখা কালো টাকার ব্যাপারীরা। শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে ইন্ডিয়া এগেনস্ট করাপশনের নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল সুইস ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্টধারীদের নাম প্রকাশ করেছেন। আইএসি-র তরফে এও অভিযোগ করা হয়েছে, জেনেভার এইএসবিসি ব্যঙ্কে মোট ৭০০ জন ভারতীয়র কালো টাকা গচ্ছিত আছে। সে সম্পর্কে ভারত সরকার সব তথ্যই জানে বলেও অভিযোগ এনেছেন কেজরিওয়াল।
সাংবাদিকদের সামনে সুইস ব্যঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে এমন কিছু বড় শিল্পপতি নাম করেছেন কেজরিওয়াল। আইএসি-র প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মুকেশ আম্বানি, অনিল আম্বানি, নরেশ গয়েলের মতো তাবড় তাবড় ভারতীয় শিল্পপতিদের সুইস ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এছাড়াও ডাবর ও বিড়লা গ্রপের মতো বড় সংস্থার নাম করতেও ছাড়েননি কেজরিওয়াল। আইআরডি, ইডি-র প্রাক্তন আধিকার অনু  টণ্ডন ও সন্দীপ টণ্ডন, যাঁরা রিলাইন্সের ১২০ টাকার দুর্নীতি সামনে এনেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনেছেন কেজরিওয়ালরা। তিনি বলেন, "আমরা একটা সিডি পেয়েছি, এইচএসবিসির জেনেভা শাখায় ৭০০ জন ভারতীয়র অ্যাকাউন্ট রয়েছে।" তাঁদের নামের তালিকা ভারত সরকারের কাছে থাকা সত্ত্বেও সরাকার অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সদ্য রাজনীতির আঙ্গিনায় আসা এই সমাজকর্মী আরও জানান, ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের মতে বিদেশি ব্যঙ্কে ২৫ লক্ষ কোটি কালো তাকা গচ্ছিত আছে। কিন্তু তাঁর প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৭০০ জনের মোটে অর্থ ৬ হাজার কোটি টাকা। ফলত নিরপেক্ষ তদন্ত করলে আরও অনেকের নাম পাওয়া যাবে বলে আশা কেজরিওয়ালের।
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে কেজরিওয়ালের অভিযুক্তের তালিকা:-
মুকেশ ধিরুভাই আম্বানি- ১০০ কোটি
অনিল ধিরুভাই আম্বানি- ১০০ কোটি
মোটেক স্ফটওয়ার প্রাইভেট লিমিটেড (রিলায়েন্স গ্রুপ কম্পানি)- ২,১০০ কোটি
রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড- ৫০০ কোটি
সন্দীপ টণ্ডন- ১২৫ কোটি
অনু  টণ্ডন- ১২৫ কোটি
কাকোলি ধিরুভাই আম্বানি- তাঁর সুইস ব্যঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকলেও, কোনও অর্থ নেই
নরেশ কুমার গোয়েল- ৮০ কোটি
ব্রুম্যান পরিবার- ২৫ কোটি