বঢরার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ দেবেন কেজরিওয়াল?

Update: October 9, 2012 10:18 IST

রবার্ট বঢরার বিরুদ্ধে অভিযোগের স্বপক্ষে আজ তথ্যপ্রমাণ পেশ করতে পারেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ইন্ডিয়া এগেইন্সট কোরাপশনের ওই নেতার দাবি, সোনিয়া-জামাতার বিরুদ্ধে ডিএলএফ সহ আরও বেশ কয়েকটি দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে তাঁর কাছে। কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের প্রভাব কাজে লাগিয়ে সোনিয়া-জামাতা এইসব দুর্নীতি চালিয়ে এসেছেন বলে তাঁর অভিযোগ।

অন্যদিকে, সোশাল নেটওয়ার্কেও গড়াল রবার্ট বঢরা-অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাগ্‌যুদ্ধ। এই বিতণ্ডার জেরে সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন সোনিয়া-জামাতা। তাঁর নামে দুর্নীতির অভিযোগ আসার পর ফেসবুকে নিজের স্ট্যাটাসে বঢরা লিখেছিলেন, "ম্যাঙ্গো পিপ্‌ল ইন বানানা রিপাবলিক।" ইংরেজি ব্যাঙ্গে ভারতকে `বানানা রিপাবলিক` অর্থাৎ এক প্রকার `মগের মুলুক` বলে কার্যত তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগকারীদেরই সেদেশের `ম্যাঙ্গো পিপ্‌ল` বলেন। এর পরেই প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন তিনি।

তবে আইএসি নেতা এবং মূল অভিযোগকারী কেজরিওয়াল অবশ্য এতে থেমে থাকেননি। "সারা দেশের `ম্যাঙ্গো মেন`রাই ক্ষমতাশীলদের `নেমেসিস` হয়ে দেখা দেবে," টুইট করেন তিনি। আইএসি সদস্য কুমার বিশ্বাস বলেন, "রবার্ট ভঢরার শ্বাশুড়িই যখন দেশ চালাচ্ছেন তখন ভারত কেন `বানানা রিপাবলিক` হল তার ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত।"

শুক্রবারই সদ্য নির্মিত রাজনৈতিক দল আইএসির দুই নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং প্রশান্ত ভূষণ এক সাংবাদিক সম্মলনে রবার্ট বঢরার বিরুদ্ধে সরাসরি আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ এনে বলেন, গত চার বছরে বঢরা নামমাত্র টাকায় ডিএলএফ নামে একটি নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে বহু সম্পত্তি কিনেছেন, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। এ ছাড়া, ওই সংস্থাটি রবার্টকে কোনও নিরাপত্তা ছাড়াই ৬৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিল। এই ধরনের লেনদেনকে অবৈধ বলে তার কারণ জানতে চেয়েছেন তাঁরা।

অন্যদিকে শনিবারই রবার্ট বঢরাকে নিরাপত্তা ছাড়া ৬৫ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে নির্মাণ সংস্থা ডিএলএফ। সোনিয়া-জামাতাকে বিশাল পরিমাণ জমি পাইয়ে দেওয়ার জন্যও কোনও সাহায্য করেনি বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ওই সংস্থাটি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।