চপার বিতর্ক: তিন মুখ, এক কথা

Update: February 19, 2013 12:48 IST

হেলিকপ্টার দুর্নীতি নিয়ে ওঠা পদত্যাগের দাবি খারিজ করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি। সেইসঙ্গে তিনি এও স্পষ্ট করে দেন, এ বিষয়ে সরকারের লুকোনোর কিছুই নেই। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনটা জানিয়েছেন অ্যান্টনি।

চপার দুর্নীতি নিয়ে সমস্ত স্তরে তদন্ত চলছে বলে দাবি রেখেছে ভারত। ইতালির আদালতে চলা তদন্ত থেকে তথ্য পেতে সবরকম ব্যবস্থাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সলমন খুরশিদ। বিদেশমন্ত্রী এও জানান, দিল্লির এক সিবিআই দলকে ইতিমধ্যেই ইতালির মিলানে পাঠানো হয়েছে। চপার দুর্নীতির অগ্রগতির ওপর নজর রাখতেই তাঁদের ইতালিতে পাঠানো হয়েছে। খুরশিদ বলেন, "দু`দেশের আদালতের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদানের মধ্যে দিয়েই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।"

ইতালি ভারতকে এই চুক্তি প্রসঙ্গে কোনও তথ্য দিতে নারাজ হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করায় খুরশিদ এ কথা জানান। ভারত যে কোনও ভাবেই চুক্তির তথ্য ইতালির সরকারের থেকে পাবে না সে কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, "ইতালির থেকে চুক্তির তথ্য আমরা পাব না। সে দেশের সরকারের তদন্তের নিরিখে আমরা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছি।" কিন্তু সে দেশের সরকার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে ভারতকে কতটা সাহায্য করবে, সে বিষয়টি তাদের ওপরই বরতায় বলে দাবি খুরশিদের।

অন্যদিকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিরুদ্ধে ওঠা নতুন দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে এই প্রথম মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। ভিভিআইপিদের ব্যবহারের জন্য কেনা হেলিকপ্টার চুক্তি নিয়ে লুকোনোর কিছুই নেই। বিরোধীদের আক্রমণের পাল্টা হিসেবে সোমবার এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, "হেলিকপ্টার চুক্তি নিয়ে সরকারের কিছুই লুকোনোর নেই। সরকার সব বিষয়েই আলোচনার জন্য প্রস্তুত।" কপ্টার প্রস্তুতকারী সংস্থা অগস্তা ওয়েস্টল্যান্ডের ধারক সংস্থা ফিনমেকানিকার সিইও, ধৃত গিওসিসপে ওরসি দাবি করেছেন, প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান এস পি ত্যাগীর পরিবারের কাউকে তিনি চিনতেন না। দুর্নীতির তদন্তে সরকারের বিরুদ্ধে অস্বচ্ছতার অভিযোগ করেছে বিজেপি। বিষয়টি নিয়ে সংসদ অচল করারও কথা ভাবছে ভরতীয় জনতা দল নেতৃত্ব।

Post Your Comment

Total Comments:3

West Bengal GOVT. rajjatake ki nijer samptti vaybe niayche naki all Busniss er licence issue`s office ta KALIGHAT, GADADHAR LANE theke hoy. karon Chef-Minister bolchee kal bondhhe dokan na khulle sab dokandarder Licence batil kora hobe. tarpor uni ba onar mantri savar sadsshara MAHAKARAN-a dokan khulbe jaykhan theke Public khabar kinbe. ta valo emni chabi sale kore paisa aschilo ekhon r ekta upay ber holo. dokaner casheir nischhay HAKIM BABU hobe karon unito abar didir Khash MANTRI

Best performance in Corruption by a Political Party in India...

if you want more scam in future ..then pls vote to national congress...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।