বর্ষসেরা কিম-কিং-ক্যাট

Update: December 7, 2012 15:17 IST

বিশ্বের সেক্সিয়েস্ট মহিলার তালিকায় প্রিয়াঙ্কার কাছে হার মেনেও ভক্তকূলের দৌলতে মান বাঁচল ক্যাটরিনার। টানা ৪ বছরের জন্য মোস্ট ডাউনলোডেড সেলিব্রিটি অন মোবাইল ফোনসের তকমা ধরে রাখলেন ক্যাটরিনা। এয়ারটেল মবিটিউড ২০১২-র সমীক্ষায় গত ৩ বছরের মতো এবছরও তাঁর ছবিই নিজেদের ফোনে সবথেকে বেশি বার ডাউনলোড করেছেন ভক্তরা। পুরুষদের মধ্যে এখানেও প্রথম স্থানে রয়েছেন কিং খান। হলিউডে সবাইকে পিছনে ফেলে দিয়েছেন কিম কার্দাসিয়ান।

ক্যাটরিনার সঙ্গেই প্রথম পাঁচে রয়েছেন করিনা কপুর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, অনুষ্কা শর্মা ও বিদ্যা বালন। অন্যদিকে, শাহরুখের পরেই রয়েছেন সলমন খান, অজয় দেবগন, অক্ষয় কুমার ও রনবীর কপুর। গত তিন বছরের মতো এবারও প্রথম পাঁচে জায়গা পাননি আমির খান। তবে বেশ ভাল জায়গায় রয়েছেন দক্ষিণী তারকারা। সবথেকে বেশি ডাউনলোড হয়েছে তৃশ কৃষ্ণনের ছবি।

এবছরেও সেরা গানের তালিকায় রয়েছে কোলাভরি ডি। বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তুলেও কোলাভরি ডি-র ধারেকাছেও আসতে পারেনি গ্যাংনাম স্টাইল। কোলাভরির থেকে ২০ শতাংশ পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বডিগার্ড ছবির তেরি মেরি। এয়ারটেল ভিডিও টকিজে সব থেকে বেশি দেখা হয়েছে দাবাং। এয়ারটেল অডিও টকিজে প্রথম স্থানে রয়েছে সিংহম। জনপ্রিয়তার তালিকায় এখনও স্থান শোলের অডিও এডিশন। গানের তালিকায় প্রথম তিনে রয়েছে `চিকনি চামেলি`, `গুন গুন গুনা`, `অভি মুঝ মে কহি`।

ট্রেকান বা সোলক্যালিবারের মতো ভিডিও গেমসকে অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে অগ্নিপথ, স্পাইডারম্যান ও এডেন্ট বিনোদের অনুপ্রেরণায় তৈরি ভিডিও গেমস। হলিউডে সেরা পাঁচের তালিকায় রয়েছেন কিম কার্দাসিয়ান, ব্রিটনি স্পেয়ার্স, হিলারি ডাফ, কেটি হোমস ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।




Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।