সাঁইত্রিশতম কলকাতা বইমেলা শুরু প্রজাতন্ত্র দিবসে

Update: January 19, 2013 21:28 IST

সাঁইত্রিশতম কলকাতা বইমেলার উদ্বোধন ২৬ জানুয়ারি। এবার বইমেলার থিম বাংলাদেশ। উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক আনিসুজ্জামান। উদ্বোধনে হাজির থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। থাকবেন দুই বাংলার বিশিষ্টজনেরা।

এবারের বইমেলায় সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার দেওয়া হবে শংকরকে। পুরস্কার মূল্য পাঁচ লক্ষ টাকা। প্রয়াত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের স্মরণে চালু হচ্ছে সুলীল গঙ্গোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার। এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে কবি ও সাহিত্যিক বীথি চট্টোপাধ্যায়ের হাতে। সাধারণের জন্য মেলা খুলে দেওয়া হবে ২৭ তারিখ থেকে। মিলনমেলা প্রাঙ্গণে বইমেলা চলবে ষোলো দিন। এই প্রথম মেলার মেয়াদ বাড়ানো হল আরও চার দিন। থাকছে মোট সাড়ে ৭০০ স্টল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।