বন্দর থেকে এবিজির যন্ত্র সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

Update: December 13, 2012 15:22 IST

হলদিয়া বন্দর থেকে এবিজি গ্রুপের সমস্ত মালপত্র সরানোর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত নিযুক্ত দু`জন স্পেশাল অফিসারের তত্ত্বাবধানে মালপত্র সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মালপত্র সরানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিস সুপার এবং জেলাশাসকের সাহায্য নিতে পারেন ওই দু`জন স্পেশাল অফিসার। তবে মালপত্র সরানোর সময় পুলিস সুপারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করেছে হাইকোর্ট।

গত ১০ তারিখ হলদিয়া বন্দরের ২ ও ৮ নম্বর বার্থে এবিজির যন্ত্রপাতি নিজেদের হেফাজতে রাখার আর্জি জানায় কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলাটি শুরু হয়।

ইতিমধ্যেই এবিজির বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে হাইকোর্টে। সেই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এবিজির যন্ত্রপাতি নিজেদের হেফাজতেই রাখতে চায় কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। এদিকে এবিজির দাবি প্রায় ১৪০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি রয়েছে ২ ও ৮ নম্বর বার্থে। যন্ত্রপাতি বার করার জন্য মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের দাবি জানিয়েছে তাঁরা।

Post Your Comment

Total Comments:1

AKHUN MANONIO SUVENDU ADHIKARIR KERAMOTI DEKHAR PALA.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।