সুরাট থেকে ২০০ মাইল দূরেই রয়েছে ওসামার দেহ, দাবি মার্কিন নাগরিকের

Update: May 4, 2012 11:28 IST

প্রায় ১০ বছর ধরে ওসামা বিনা লাদেনের খোঁজে তোলপাড় করেছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। তাদের সেই খোঁজ শেষ হয়েছিল ২০১১-র ২ মে-র গভীর রাতে। পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন নেভি সিলের গোপন অভিযানে নিহত হয়েছিলেন ওসামা বিন লাদেন। দুঃসাহসী অভিযানের পর কিন্তু চরম সতর্কতা নিয়েছিল আমেরিকা। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে অতি গোপনে সমুদ্রের গভীরে ওসামার দেহ ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মার্কিন গোয়েন্দাদের আশা ছিল, সমুদ্রের গভীরে আল কায়দা সুপ্রিমোর দেহের খোঁজ পাবে না তাঁর কট্টরপন্থী সমর্থকেরা। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেই আশায় বাধ সেধেছেন আরেক মার্কিন নাগরিক। নাম বিল ওয়ারেন। তাঁর শখ- সমুদ্রের অতলে গুপ্তধনের সন্ধান করা।
আর এই নেশার জেরেই লাদেনের দেহের খোঁজও তিনি পেয়ে গেছেন বলে দাবি ওয়ারেনের। মার্কিন নৌবাহিনী লাদেনের দেহ সমুদ্রে ফেলে দেওয়ার ছবি প্রকাশ করেছিল। সেই ছবি থেকেই নাকি লাদেনের দেহের হদিশ পেয়েছেন বিল ওয়ারেন। স্পেনের সংবাদপত্র এল মুন্ডোতে এক সাক্ষাতকারে তাঁর দাবি, ভারতের সুরাট থেকে ২০০ মাইল দূরে সমুদ্রের গভীরে সমাহিত করা হয়েছে লাদেনকে। এব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর আর দ্বিধা করেননি ওয়ারেন। লাদেনের দেহের সন্ধানে অভিযানও শুরু করে দিয়েছেন। ওয়ারেনের বক্তব্য, ওসামাকে খতম করলেও, তার নির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে ওবামা প্রশাসন। তাই সমুদ্রের গভীরে লাদেনের দেহ খুঁজে বের করে তার ছবি তুলতে চান ওয়ারেন। ছবি এবং ভিডিও তুলে, ডিএনএ-র নমুনা সংগ্রহ করে ফিরে আসবেন তিনি।

লাদেনের দেহ তুলে আনার কোনও পরিকল্পনা তাঁর নেই। কিন্তু এই অভিযানের সাফল্য নিয়ে নিজেই সংশয়ে এই অভিযাত্রী। কারণ লাদেনের মৃতদেহ নিয়ে চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রাখতে বরাবর সক্রিয় মার্কিন প্রশাসন। তাই বিল ওয়ারেনের আশঙ্কা, লাদেনের দেহের সন্ধানে তাঁর এই অভিযান ভেস্তে দিতে সর্বশক্তি নিয়োগ করবে আমেরিকা।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।