জমি জটে জর্জরিত বাগডোগরা বিমানবন্দর

Update: January 11, 2013 10:56 IST

জমি অধিগ্রহণের জটে এবার বাগডোগরা বিমানবন্দর। অভিযোগ, বাগডোগরা বিমানবন্দরে রাতে বিমান ওঠা নামার ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র বসানোর জন্য জমি  প্রয়োজন। কিন্তু রাজ্যের নীতির কারণে জমি অধিগ্রহণ সম্ভব না হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এর জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্প।  

উত্তরবঙ্গকে  পূর্ব ভারতের পর্যটন মানচিত্রের সঙ্গে জুড়তে বড় ভূমিকা নেয় বাগডোগরা বিমানবন্দর। বছরভর দেশি বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যাও  কম নয়। বিমানবন্দরের ব্যস্ততার ছবিতেই তা পরিষ্কার।  কিন্তু এতকিছুর মধ্যেও পর্যটনের আকাশের একরাশ সমস্যা। অভিযোগ, বিমানবন্দরের রানওয়েতে আইএলএসসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র না থাকায় রাতে বিমান ওঠা নামায় সমস্যা হচ্ছে।  চব্বিশ ঘণ্টা বিমান পরিষেবা না থাকায় মার খাচ্ছে পর্যটন শিল্প।
 
রাজ্য সরকারের ঘোষিত নীতি, জোর করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে না। কিন্তু রানওয়েতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র বসাতে ২৩ একর জমি প্রয়োজন। কিছু জমি অধিগৃহীত হলেও পুরো জমি এখনও পাওয়া যায়নি। ফলে আটকে রয়েছে রানওয়েতে নাইট ল্যান্ডিং সিস্টেম বসানোর কাজ। রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে এবিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন বাগডোগরা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে এসবের মধ্যেই বঞ্চিত হচ্ছেন পর্যটকেরা। মার খাচ্ছে উত্তরবঙ্গের পর্যটন সম্ভাবনা। 

Post Your Comment

Total Comments:1

জমি বাঘ ডগরায় নাথাক্লে বা না পাওয়া গেলে কালি ঘাটে আছে ।কিছু নিয়ে গিয়ে সমস্যার সমা ধান করে নিন ।দিদি কিছু বলবে না

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।