বিধানসভায় হামলার প্রতিবাদে দিল্লিতে ধরনায় বামেরা

Update: December 14, 2012 11:23 IST

বিধানসভায় বাম বিধায়কদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবার সর্বভারতীয় মঞ্চে সরব হলেন বামেরা। ঘটনার প্রতিবাদে আজ সংসদ চত্বরে  বিক্ষোভ দেখান বাম সাংসদরা। তাঁদের অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যে বারবার  ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে গণতান্ত্রিক অধিকার। গত কয়েকদিনে রাজ্য বিধানসভার ঘটনায় স্পষ্ট, রাজ্যে ভেঙে পড়েছে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। গতকালই এই মন্তব্য করেছিলেন সীতারাম ইয়েচুরি।

মঙ্গলবার রাজ্য বিধানসভায় শাসক ও বিরোধীপক্ষের বিধায়কদের মধ্যে তুমুল মারপিটের জেরে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ,  সেই সময় বাম বিধায়ক দেবলীনা হেমব্রমকে হেনস্থা করেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক  বেচারাম মান্না ও চন্দ্রনাথ সিং। দেবলীনা হেমব্রমকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন আরেক বাম বিধায়ক গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জি। মাথা ফেটে যায় তাঁর। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ সংসদের দুই কক্ষের সামনে ধর্নায় বসেন বাম সাংসদেরা।

বামেদের অভিযোগ, শাসকদলের প্রত্যক্ষ মদতে রাজ্যে জাল ছড়িয়েছে চিটফাণ্ড সংস্থাগুলি। বেআইনিভাবে তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে।

চিট ফান্ডগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার বিধানসভায় সরব হয়েছিলেন বামেরা। যার থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত। ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বামেরা।

বামেদের অভিযোগ, রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। বিধানসভার ঘটনাও তারই অন্যতম উদাহরণ।







Post Your Comment

Total Comments:1

I SUPPORT THIS DHARNA.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।