শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে বামেরা

Update: December 6, 2012 08:31 IST

তৃণমূল সাংসদ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানাল বামেরা। ২৫ নভেম্বর পূর্ব মেদিনীপুরের কামারদার একটি সভায় শুভেন্দু অধিকারী হুমকি দেন, খেজুরিতে  নিষিদ্ধ থাকবে সিপিআইএম। জায়গা হবে না কংগ্রেস-বিজেপি কোনও দলেরই। খেজুরিতে পঞ্চায়েত ভোট তিনিই করাবেন। এধরনের হুমকির প্রতিবাদ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাল বাম প্রতিনিধি দল।

সাংসদ শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারিকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তমলুকের সাংসদের গলায় এধরণের মন্তব্যের জেরে রীতিমতো আলোড়ন পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। এবার এই ইস্যুতেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাল বামেরা। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার মীরা পান্ডের কাছে এবিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন বাম প্রতিনিধিরা। 

বাম প্রতিনিধিদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। ভয় দেখানো হচ্ছে রাজনৈতিক কর্মীদের। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর এই ধরনের মন্তব্য তাতে ইন্ধন যোগাবে বলেই মনে করছেন বামেরা।


Post Your Comment

Total Comments:2

আজ বাংলা একটা কাগজে পড়লাম আমেরিকায় ৩৩ কোটি লোকের ৩০ কোটি আস অস্ত্র ।বলার মানে হোল আমাদের বাংলায় ও হয়তো এই জিনিস হতে পারে ,কারন জেই ভাবে তৃনমূলের মন্ত্রিরা বলছেন যেমন সুবেন্ধু ,জতিপ্রিয়, ববি সোনালি, আরও আনেকে তাতে মনে হছে বাংলার মানুস ওই রাস্তা অবলম্বন করবে ।কেন করবে না সুবেন্ধু জা বলছে তাতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগা বা জাতে জাতে দাঙ্গা লাগা কোন অঘটন হবে না , তেমন বলছে জ্যোতি,সোনালি। ভাই ভাইএর সঙ্গে কথা বলবে না বাবা মারা গেলে দুই বাই আলাদা ক্রিয়া কলাপ করবে ।সুতরাং এই সমস্ত লোক গুলকে উচিৎ শিখ্যা দিতে গেলে আমেরেকার পন্থা ছাড়া গতি নেই ।

SUBHENDUBABUR KATHA BARTA HITLARER MOTON, BANGLAR KHUDE HITLAR.MAMATA BANERJEEO BESI GHATAINA.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।