বামেদের ধিক্কার মিছিলে জনজোয়ার

Update: January 9, 2013 12:19 IST

রেজ্জাক মোল্লা সহ দলীয় কর্মীদের আক্রমণের প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে ধিক্কার দিবস পালন করল বামেরা। কলকাতায় প্রতিবাদ মিছিলের শুরুতে ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র সহ শীর্ষ বাম নেতারা। ধর্মতলা থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত মিছিলে পা মেলান অসংখ্য মানুষ।  

বামেদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে পরিকল্পিতভাবে শাসকদলের নেতৃত্বেই সন্ত্রাস তৈরি করা হচ্ছে। অভিযোগ, দলের প্রশ্রয়েই একের পর এক মারাত্মক কাণ্ড ঘটাচ্ছে আরাবুল ইসলাম। শুধু দলই নয়, মহাকরণ থেকেও ক্লিনচিট দেওয়া হচ্ছে আরাবুল ইসলামদের মতো নেতাদের। বাম নেতাদের মূল্যায়ন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক হিংসার ইস্যুতে তাদের ব্যাপকভাবে রাস্তায় নামা ছাড়া উপায় নেই। আর সেকারণেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, মঞ্জুকুমার সজুমদার সহ বাম শীর্ষ নেতারা প্রত্যেকেই এই ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন ।
 
বিকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ধর্মতলা থেকে শুরু হয় মিছিল। মিছিলের শুরুতে ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বাম নেতাদের ঘোষণা ছিল যান চলাচলকে স্বাভাবিক রেখেই মিছিল হবে। ধর্মতলা থেকে মিছিল ওয়েলিংটন-মৌলালি হয়ে পৌঁছে যায় শিয়ালদহে। ধিক্কার মিছিল কার্যত তখন পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে।

দলীয় কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদে রাজ্যের মত দিল্লিতেও পথে নামল সিপিআইএম। আজ বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন সিপিআইএমের শীর্ষ নেতৃত্ব। বিক্ষোভ সমাবেশে সিপিআইএম পলিটব্যুরো সদস্য সীতারাম ইয়েচুরি অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র বিপন্ন। বিরোধিতা করলেই হামলা হচ্ছে, আগুন লাগানো হচ্ছে পার্টি অফিসে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন।
 

 






Post Your Comment

Total Comments:17

IT SEEMS TO ME THAT YOU ARE SLIPPING AND DREAMING AT DAY LIGHT.

2000 sal theke 2010 sal porjonto .C.P.M. Rajarhat e jomi Acquisition kore je bhave POLICE o mastan diye. se news keu dite parini.Rajarhater manush shudhu jane. C.P.M. neta kormider dekhe amra ajo Voy pai.

2000 sal theke 2010 sal porjonto .C.P.M. Rajarhat e jomi Acquisition kore je bhave POLICE o mastan diye. se news keu dite parini.Rajarhater manush shudhu jane. C.P.M. neta kormider dekhe amra ajo Voy pai.

Arabul ke sasti dewa hok

FRIENDS,REMEMBER BARKING DOGS SELDOM BITES.DON`T WORRY RED WILL RULE AGAIN.

FRIENDS,REMEMBER BARKING DOGS SELDOM BITES.DON`T WORRY RED WILL RULE AGAIN.

FRIENDS,REMEMBER BARKING DOGS SELDOM BITES.DON`T WORRY RED WILL RULE AGAIN.

Comrade Rejjak Mollah & our beloved injured soldiers,red salute to you.

এগিয়ে চল আমরা সবাই তোমাদের সাথে আছি । প্রতিবাদ মুখর হক রাজ্য ।

প্রতিবাদ মুখর কলকাতা... আর চুপ করে থাকা নয় প্রতিবাদ ! প্রতিবাদ !!

Prasasan kakhono arabul k grafter korbana. Ora o k nata bolchha! Manush odar taraba. A biswas amar achha.

Montri gulor ja mukher vasa....oder kache r ki chaoa jay????

arabuler greftar chai ei aupadartho sarkarer aupasaron chai

Gnnatantra sesh pothe..amder khub bipod.. comredgon sobai ek how brihatra andoloner janno....inclub jindabad....

ARBUL KE GREFTAR KORTE HOBE

রাজ্যে গুণ্ডারাজ চলছে ।অনেকে বলেন সততার প্রতীক মমতা ব্যানার্জ্জী নাকি এক নম্বরের মিথ্যাবাদী।তবে তিনি বলেছিলেন ``আমাকে ভয় দেখাবেন না আমি অনেক বেশী গুণ্ডা কন্ট্রোল করি``।কথাটা কতটা ভীষন সত্যি তা টের পাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গ বাসী।

Great news site I have ever had. Thanx a lot

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।