পঞ্চায়েতের আগে বাম ঐক্যে জোর বিমান বসুর

Update: December 21, 2012 16:58 IST

পঞ্চায়েত ভোটে সার্বিক শরিকী ঐক্যের প্রশ্নে চিরকালই ফাঁক থেকে গেছে। কার্যত একথা স্বীকার করে নিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে শরিকী অনৈক্যের কারণে যথেষ্ট খেসারত দিতে হয়েছিল বলে মেনে নেন তিনি। এবার তাই ফ্রন্টে সার্বিক ঐক্য এনে পঞ্চায়েত ভোটে লড়তে মরিয়া বামফ্রন্ট। 

রাজ্যে বিরোধী আসনে বসার পর, এই প্রথম পঞ্চায়েত ভোটের লড়াইয়ে নামছে বামফ্রন্ট। আর এই লড়াইয়ে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সার্বিক শরিকী ঐক্য প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ছ হাজারের বেশি আসনে প্রতীকচিহ্নের ওপর ঐকমত্য হয়নি। শরিকী ঐক্যে ফাটল আরও বাড়িয়েছেন একে অপরের বিরুদ্ধে দেওয়া গোঁজ প্রার্থী। শুক্রবার একথা স্বীকার করে নেন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

পঞ্চায়েত ভোটে এবার তাই সার্বিক ঐক্য আনতে শরিকদলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। শরিক দলগুলির মধ্যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই লক্ষ্যে পৌঁছন অসম্ভব কিছু নয় বলে জানান বিমান বসু। ফ্রন্টের সবকটি দলের মধ্যেই এবার সেই তাগিদও দেখা যাচ্ছে বলা দাবি তাঁর।   

এর পাশাপাশি, পঞ্চায়েত ভোটে লড়ার জন্য জানুয়ারির মধ্যেই নির্বাচনী সংগঠন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বামফ্রন্ট।

Post Your Comment

Total Comments:1

Unity is urgent and utmost need for toiling mass in Bengal.Not only for Panchayet to grab power that may not be the solution. It has already harmed mass movement.Another syndicate raj!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।