রাজ্যপালের দ্বারস্থ বামেরা

Update: January 8, 2013 16:52 IST

বামুনঘাটায় বাম নেতা কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আরাবুল ইসলামের গ্রেফতারের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হতে চলেছে বামেরা। আজ সন্ধে ৬টায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করবে বাম পরিষদীয় দল। রেজ্জাক মোল্লাকে মারধর ও বামুনঘাটায় বাম কর্মী সমর্থকদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতারের দাবি জানাবেন তাঁরা।  আরাবুলকে গ্রেফতারের দাবিতে আলিপুরে অবস্থান-বিক্ষোভ করে বামেরা। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিসি নিষ্কৃয়তাকে ধিক্কার জানিয়ে সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিম বলেন, "অপরাধীদের গ্রেফতার করতে হবে।" সেইসঙ্গে, প্রতিবাদ সমাবেশে আসার পথে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের হাতে দলীয় সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ারও নিন্দা করেন সেলিম।

রবিবার, ভাঙড়ে রেজ্জাক মোল্লাকে মারধর করা হয়। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেয় বামেরা। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়নি। প্রতিবাদে, আজ আলিপুরের গোপালনগরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিস সুপারের অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভের ডাক দেয় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা বামফ্রন্ট। ছিলেন বাম বিধায়ক সহ শীর্ষস্থানীয় বাম নেতারা। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তাঁরা। আরাবুল ইসলাম এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় প্রশাসন, মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করেন বাম নেতারা। একইসঙ্গে, আজ আলিপুরের সমাবেশে আসার পথে বামনঘাটায় বাম কর্মী-সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার নিন্দা করেন তাঁরা। দুপুর ১টা নাগাদ বিজন সেতু থেকে বামেদের মিছিল শুরু হয়ে ৩টে নাগাদ সেটি গোপালনগরে সমাবেশস্থলে পৌঁছয়।





Post Your Comment

Total Comments:4

CHUP KORA BOSA THAKUN ARO 15 TI BACHOR. TARPAR EI SAB MANTOBBO KORLA SOBHA PABE. JE SAB PAGLAMI GATO 34 BACHORA DEKHACHI SETA BHULTA ARO 100 BACHOR LAGBE

arabul aje je kando ghatalo ta sobvo manuser dara sambhav na.chi... arabul.

আরাবুল তো শুধু মাত্র হাত ব্রেণটা তো দিদির!

LORAITA CP(I)M VS TMC noy, LORAITA TMCir GOONDA BAHINI VS BANGLAR PROGOTISIL SANTIPRIYO NAGORIKDER.ITIHAS THEKE HITLAR MUCHHE GACHHE, TEMNI GOONDA BAHINI SOMET MAMATAO MUCHHE JABE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।