দিল্লির জনবহুল এলাকায় বিস্ফোরণই লক্ষ্য ছিল ধৃতদের : চিদম্বরম

Update: February 29, 2012 12:54 IST

দিল্লির কোনও জনবহুল এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটানোই ছিল ধৃত ২ লস্কর জঙ্গির পরিকল্পনা। বুধবার জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম।

এদিন সকালে নয়াদিল্লি রেল স্টেশন থেকে ২জন লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিস। ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কিছু অস্ত্র ও সরকারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার করা হয়েছে। সূত্রে খবর, ধৃত ২ লস্কর জঙ্গিকে ঝাড়খণ্ড থেকে অনুসরণ করছিলেন গোয়েন্দারা। ঝাড়খণ্ড হয়ে দিল্লি প্রবেশের পরই তাদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃত ২ জঙ্গির মধ্যে একজন জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দা।

জনবহুল এলাকা ছাড়াও, দেশের ভিভিআইপি-দের উপর হামলার ছক করেছিল বলে প্রাথমিক জানা গেলেও, ভিভিআইপি-দের উপর হামলার বিষয়টি খারিজ করেছেন চিদম্বরম। এদিনের সাফল্যের জন্য দিল্লি পুলিসকে অভিনন্দনও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।