আজহারের যাবজ্জীবন নির্বাসন বেআইনি: অন্ধ্র হাইকোর্ট

Update: November 8, 2012 15:26 IST

বহুদিন পর `স্বস্তি` এল ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক আজহারউদ্দিনের কাছে। বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে বিসিসিআই-এর যাবজ্জীবন নির্বাসনের নির্দেশকে আইন বিরুদ্ধ বলে রায় দিল।

ম্যাচ গড়াপেটার অপরাধে ২০০০ সালে আজহারকে সবরকমের ক্রিকেট থেকে যাবজ্জীবন নির্বাসনের নির্দেশ দেয় ভারতীয় ক্রিকেট কনট্রোল বোর্ড। বিসিসিআই-এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এই হায়দরাবাদি প্রথমে সিটি সিভিল কোর্টে আবেদন করেন। কিন্তু সেখানে বিসিসিআই-এর নির্বাসনের নির্দেশই বহাল থাকে। এরপর নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন। কোন সঙ্গত প্রমাণ ছাড়াই বিসিআই আজহারকে যাবজ্জীবন নির্বাসন দিয়েছে বলে আদালতে তাঁর হয়ে তাঁর আইনজীবি সওয়াল করেন। আইনি লড়াইয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে পরাজিত হলেও `সেমিফাইনাল` টা কিন্তু জিতে নিলেন ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

সৌরভ পূর্ববর্তী ভারতীয় ক্রিকেটের সেরা অধিনায়ক আজহার ৯৯ টি টেস্ট খেলে ৬২১৫ রান করেছেন। গড় ৪৫। ৩৩৪ টি একদিনের ম্যাচে ৩৬.৯২ গড় নিয়ে তাঁর মোট রান ৯৩৭৮।












Post Your Comment

Total Comments:1

jail thke 6ara paoar jnye to vote dari6e bkr investigation kra sbi jne ki6u hbe na sb dhama chapa

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।