বিবাহিত মহিলাদের ঘর গোছানোর নিদান দিলেন মোহন ভাগবত

Update: January 6, 2013 12:49 IST

ধর্ষণ প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্যের পর ফের নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। এবারে তিনি মন্তব্য করলেন মহিলাদের দায়িত্ব নিয়ে। ইন্দোরে এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আরএসএস প্রধান বলেন, "শুধুমাত্র ঘরের কাজ সামলানোই মহিলাদের দায়িত্ব।" সামাজিক বন্ধনের নিয়ম মেনে পুরুষেরই রোজগার করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন মোহন ভাগবত। তাঁর মতে, রোজগারের পাশাপাশি পুরুষেরই দায়িত্ব স্ত্রীকে রক্ষা করা। শুক্রবারই ধর্ষণ নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক।

সেবারে তাঁর বক্তব্য ছিল, ধর্ষণের মতো অপরাধ `ইন্ডিয়াতে` হলেও ভারতে হয় না। ভারত বনাম ইন্ডিয়ার বিতর্ক উস্কে দিয়ে কার্যত ধর্ষণের জন্য শহরাঞ্চলে মহিলাদের জীবনযাত্রাকেই দায়ী করেছিলেন তিনি। সরসঙ্ঘচালকের মন্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড় ওঠে বিভিন্ন মহলে।

Post Your Comment

Total Comments:4

ae amader desh jekhane shakti debi durga ke pujo kore r dhon er debi maa laxmi r bidyar debi saraswati ke pujo kore,ae amader desh jekhane amra amder desh ke maa hisabe valobasi....sei deshei rastay berole meyeder rape kore,.............r emon mukho netara segulo ke support diye eto baje kotha bole.....

uner charecter ja motai bhalo na seta tar comments thake bojha jai

মোহন ভাগবত যা বলেছেন সেটা ওঁর নিজের বিশ্বাস থেকে বলেছেন। এতে টিটকারী মারা,আমার মনে হয় ঠিক না।

Uni asole gano dholai khaoar jonye sujog khujchhen. Young age thakle koyekta rape hoito uni kore felten.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।