ভিটে বাঁচাতে মরিয়া ক্যাম্পা কোলা সোসাইটি, বিক্ষোভের মুখে পড়ে আবাসন ছাড়লেন উচ্ছেদ কর্মীরা

বাসিন্দাদের বিক্ষোভে ক্যাম্পা কোলা সোসাইটি ছেড়ে গেলেন বিএমসি আধিকারিকরা। স্থগিত রাখা হল উচ্ছেদের কাজ। বেআইনি আবাসন ভাঙতে এসে ক্যাম্পা কোলা সোসাইটির বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিএমসি আধিকারিকরা। বাসিন্দেদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করতে পারে বিএমএস। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে হবে আবাসন।

Updated: Jun 20, 2014, 03:30 PM IST

বাসিন্দাদের বিক্ষোভে ক্যাম্পা কোলা সোসাইটি ছেড়ে গেলেন বিএমসি আধিকারিকরা। স্থগিত রাখা হল উচ্ছেদের কাজ। বেআইনি আবাসন ভাঙতে এসে ক্যাম্পা কোলা সোসাইটির বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিএমসি আধিকারিকরা। বাসিন্দেদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করতে পারে বিএমএস। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে হবে আবাসন। এ দিন বিএমএস আধিকারিদেক রুখতে মানবশৃঙ্খল গঠন করেন ক্যাম্পা কোলা সোসাইটির বাসিন্দারা। বিএমএস বিরোধী স্লোগানে জোরালো প্রতিবাদ গড়ে তোলেন তাঁরা। আবাসন চত্ত্বরে যজ্ঞও করেন তাঁরা।

তবে বিক্ষোভ চললেও আদালতের নির্দেশ মেনে শুরু হয়ে গেছে উচ্ছেদের তোড়জোড়। ওইসব ফ্ল্যাটের জলের লাইন, ইলেকট্রিসিটি লাইন, গ্যাসের লাইন এরমধ্যেই কেটে দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে উচ্ছেদের কাজ চালানোর জন্য নিয়োগ করা হয়েছে পুলিসও। শুক্রবার কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডু টুইট করেছেন, আমরা কী করতে পারি? এটা আদালতের নির্দেশ এবং অনেক দূর এগিয়ে গেছে। বাসিন্দাদের সমবেদনা জানাই। আজই শেষ হচ্ছে আদালতের দেওয়া ডেডলাইন।

এ দিন সকাল ১১টা নাগাদ বিশাল পুলিসবাহিনী নিয়ে ক্যাম্পা কোলা সোসাইটি চত্ত্বরে পৌছয় বিএমএস আধিকারিকরা। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ফ্ল্যাট ছেড়ে যেতে অস্বীকার করেন বাসিন্দারা। বিএমএসের আধিকারিকদের হাতে ফ্ল্যাটের চাবি তুলে দিতে চাননি তাঁরা। সোসাইটির বাইরে তাঁবু খাটিয়ে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন বলে জানান বাসিন্দারা। উচ্ছেদের প্রথম পর্যায় এমসিজিএম ফ্ল্যাটের ইলেকট্রিসিটি, জলের লাইন ও গ্যাসের পাইপ কেটে দেবে। দ্বিতীয় পর্যায় বারান্দা ভাঙার পর শুরু হবে ফ্ল্যাটের দেওয়াল ভাঙার কাজ। এর আগে সোসাইটির দুই বয়স্ক সদস্যের মৃত্যুর কারণে স্থগিত রাখা হয় উচ্ছেদের কাজ।