অবশেষে ফ্ল্যাগমিটে পাকিস্তানের সম্মতি

Update: January 13, 2013 15:25 IST

অবশেষে প্রথম ব্রিগেডিয়র স্তরে ফ্ল্যাগমিটে সম্মত হল পাকিস্তান। সীমান্ত ঘিরে গত কয়েকদিনের বেড়ে চলা উত্তেজনার পর গতকাল ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান এনএকে ব্রাউন জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের তরফে অস্ত্রবিরতির চুক্তিভঙ্গ লাগাতার চলতে থাকলে ভারত কড়া পদক্ষেপ নেবে। এরপর আজ পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়েছে তারা সোমবার ফ্ল্যাগ মিটের জন্য প্রস্তুত। আগামিকাল একটায় পুঞ্চে আলোচনায় বসবেন ভারত-পাকিস্তানের কমান্ডাররা।

ভারতের পক্ষ থেকে আগেও কয়েকবার ফ্ল্যাগমিটের আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানের তরফে এই বিষয়ে সদর্থক কোন প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত ভারতের তরফে কড়া হুঁশিয়ারির পরেই আলোচনায় রাজি হয় পাকিস্তান। গত শনিবার পর্যন্ত এলওসি-র উভয় দিকেই তীব্র গুলিগোলা চলেছে।

দু`দিন আগে ভারত-পাক সীমান্তে মেন্ধর সেক্টরে ঢুকে পড়ে দুই ভারতীয় জওয়ানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক সেনা। ফলে লঙ্ঘিত হয় ২০০৩ -এর অস্ত্রবিরতির চুক্তি। এই ঘটনার পর এশিয়া মহাদেশের দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ নতুন করে বাড়তে শুরু করে।



Post Your Comment

Total Comments:1

Dekho jadi peacful hoi!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।