রেল টিকিটে কালোবাজারি নিয়ে উত্তাল লোকসভা

Update: August 9, 2012 20:22 IST

বাদল অধিবেশনের শুরু থকেই অসম প্রশ্নে উত্তাল সংসদ। এবার রেলের টিকিটের কালোবাজারি ইস্যুতে উত্তাল হল লোকসভা। বৃহস্পতিবার সাংসদদের প্রশ্নবাণের মুখে পড়েন রেলমন্ত্রী মুকুল রায়। সাফাই দেওযার চেষ্টাও করেন সাধ্যমত। কিন্তু বারেবারেই হই হট্টগোলে বাধা পড়ে তাঁর বক্তব্য। সাংসদদের সমালোচনার মুখে রেলমন্ত্রীর আশ্বাস রেলে শীঘ্রই চালু হবে টিকিট অন ডিম্যান্ড পরিষেবা। দালালরাজের দৌরাত্ম্য দমনেও রেল যথাসাধ্য চেষ্টা করছে বলেই জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

রেলের টিকিটে কালোবাজারির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দালালদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগে সরব সাধারণ যাত্রীরা। যাত্রার অনেক আগেও ওয়েটিং লিস্টের টিকিট মেলে। অথচ যাত্রার ঠিক আগে দালালরা কনফার্ম টিকিটের ব্যবস্থা করে দেয়। এমন অভিযোগও নতুন নয়। বৃহস্পতিবার এমনই অভিযোগে উত্তাল হয় লোকসভা। আইআরসিটিসির পুরো সাইটই দালালরা ব্লক করে রাখে বলেও অভিযোগ জানান সাংসদরা। জবাব দিতে উঠে নির্দিষ্ট উত্তরের বদলে বিভিন্ন প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে থাকেন রেলমন্ত্রী। হট্টগোল শুরু হয় নিম্নকক্ষে। সাংসদদের তুমুল ক্ষোভের মুখে রেলমন্ত্রী জানান, দালালরাজ দমনে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে রেল।

রেলের টিকিটের কালোবাজারির অভিযোগ এবং সময়মতো টিকিট না মেলা প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, চাহিদা এবং যোগানে অনেক ফারাক রয়েছে। সেই ফারাক মোকাবিলায় নতুন নতুন ট্রেন চালু করছে রেল। ফের হট্টগোল শুরু হয় লোকসভায়। এবার রেলমন্ত্রী জানান শীঘ্রই টিকিট অন ডিম্যান্ড পরিষেবা চালু করছে রেল।

কালোবাজারি মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে রেলমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সাংসদরা। দালালরাজ নিয়ন্ত্রণে রেল কীভাবে সচেষ্ট। তথ্য দিয়ে তা বোঝানোর চেষ্টা করেন রেল প্রতিমন্ত্রী। দালালরাজের দৌরাত্ম্যের জন্য যাত্রীদেরই দায়ী করেন রেল প্রতিমন্ত্রী। দালালরাজের দৌরাত্ম্যে আরপিএফ, জিআরপির বড়সড় ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ। তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে চান  কংগ্রেস সাংসদ সঞ্জয় নিরুপম। রেলমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও মুকুল রায় অধিকাংশ সময়টাই কলকাতায় কাটান বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বৃহস্পতিবার লোকসভায় ফের সেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় মুকুল রায়কে। সেই অস্বস্তিকর প্রশ্ন যদিও সযত্নে এড়িয়ে যান রেলমন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:3

24 GHANTA ATO KOREO CPM KE JETATE PARCHE NA KENO?

Mr Mukul Roy is not Rly Minister of India. He is simply a minister working under Mamata Banerjee. He is a minister for name shake all resourses are deployed for political end of Mamata Banerjee and our PM has no say in this regard. He is interested to save his Chair only.

Blackmailing of Rly.Tickets is no new. It is running for long time. Not a single Rly. minister took effective steps, why now shouting like casts and dogs. Ofcourse, Mukul Roy should take steps soon. But what he can do so long stringent measures are not taken towards the his own employees? Rotten justice system, Labour Unions all these are responsible for this. Now-a-days Rly. employees are getting salaries more than they expect,still they are so much greedy that they cannot refrain from all these.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।