আজ প্রয়াগে মহাকুম্ভ

Update: January 14, 2013 08:56 IST

আজ থেকে শুরু হচ্ছে মহাকুম্ভ। অসংখ্য মানুষের ঢল নেমেছে কুম্ভমেলায়। প্রতি ১৪৪ বছরে একবার হয় মহাকুম্ভ। এবছর প্রায় দশ কোটি পূণ্যার্থীর সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। শেষবার কুম্ভমেলা হয়েছিল ২০০১-এ। সেই বছর প্রয়াগে চার কোটি পূণ্যার্থীর সমাগম ঘটেছিল। এবছর সেই রেকর্ড ভাঙার লক্ষ্যে তৈরি এলাহাবাদ।

তাপমাত্রা মাইনাসের ঘরে। চলছে শৈত্যপ্রবাহ। কিন্তু তাতে কী? সব উপেক্ষা করেই সোমবার গঙ্গা-যমুনা সঙ্গমস্থলে ডুব দেবেন কয়েক লক্ষ পূণ্যার্থী।

একমাস আগে থেকেই শুরু হয়েছে আয়োজন। পঞ্চান্ন দিন ধরে চলবে মেলা। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ১৪টি হাসপাতাল সাময়িক ভাবে তৈরি করা হয়েছে। দুশো তেতাল্লিশ জন চিকিত্‍সককে ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পূণ্যার্থীদের জন্য তৈরি হয়েছে ৪০ হাজার শৌচালয়। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শহরের বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন রয়েছেন তিরিশ হাজার পুলিস কর্মী। পূণ্যস্নানে এতটুকুও দেরি করতে রাজী নন অনেক পূণ্যার্থী। তাই নদী তটেই ছোট ছোট তাঁবুতে রাত কাটাচ্ছেন তাঁরা। গোটা এলাকায় প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও দূষণ কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। গঙ্গা, যমুনা দুই নদীতেই দূষণের মাত্রা বেড়েছে। কিন্তু সেই সবের তোয়াক্কা না করেই সোমবার মহাকুম্ভে গঙ্গা-যমুনার সঙ্গম স্থলে ডুব দেবেন লক্ষ লক্ষ পূণ্যার্থী। 







Post Your Comment

Total Comments:1

Regarding Maha Kumbha your information is totally wrong.... actually Maha Kumbha happens after 144 year (every after 12 Purna Kumbha. and Purna Kumbha happens after every 12 years. so 12 yrs x 12 times = 144 yrs). Source: - http://en.wikipedia.org/wiki/Kumbh_Mela http://www.indiayogi.com/content/festivals/mahakumbh.aspx So I am requesting you kindly change the mistake. Thanks

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।