ঝুঁকিহীন নির্বাচনে চমক বাংলার সামি আমেদ

Update: December 23, 2012 16:30 IST

ব্যর্থতার তালিকাটা দীর্ঘ হতে থাকলেও ভারতীয় ক্রিকেট বদল এলো না। নতুন নির্বাচক কমিটি সন্দীপ পাতিল অ্যান্ড কোং ঝুঁকির রাস্তায় না হেঁটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজে ঝুঁকিহীন নির্বাচনের রাস্তায় হাঁটল। তবে ঝুঁকিহীন নির্বাচনে চমক হিসাবে থাকল বাংলার পেসার সামি আমেদের নাম। একদিনের দলে সুযোগ পেলেন ২২ বছরের সামি। ঘরোয়া ক্রিকেট দারুণ ফর্মে থাকা সামির পাশাপাশি দলে থাকলেন অশোক দিন্দাও। শেষ কবে এক সঙ্গে বাংলার দুজন পেসার ভারতীয় দলে থেকেছেন তার জবাব পাওয়া যাচ্ছে না।

এ ছাড়াও নতুন মুখ হিসাবে থাকলেন বোলার ভুবনেশ্বর কুমার। বাদ পড়লেন জাহির খান। হরভজন সিংও ঠাঁই পেলেন না। বাকি দলে চমক নেই। বীরেন্দ্র সেওয়াগের না থাকা নিয়ে জল্পনা চলছিল, কিন্তু বীরুতেই আস্থা রাখলেন নির্বাচকরা। যুবরাজ সিং, সুরেশ রায়না, রবীন্দ্র জাদেজা, রোহিত শর্মারাও দলে থাকলেন। টি-২০ দলে থাকলেন আম্বাতি রায়াড়ু, অশোক দিন্দা, পীযুষ চাওলা।

দুই ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ শুরু ২৫ ডিসেম্বর। আর তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ শুরু ৩০ ডিসেম্বর।


একদিনের সিরিজে ভারতীয় দল:
মহেন্দ্র সিং ধোনি (অধিনায়ক), বীরেন্দ্র সেওয়াগ, গৌতম গম্ভীর, বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, রোহিত শর্মা, সুরেশ রায়না, রবীন্দ্র জাদেজা, আর অশ্বিন, ইশান্ত শর্মা, আজিঙ্কা রাহানে, অশোক দিন্দা, ভুবনেশ্বর কুমার, সামি আমেদ, অমিত মিশ্র।


টি টোয়েন্টি সিরিজে ভারতীয় দল:
মহেন্দ্র সিং ধোনি (অধিনায়ক), বীরেন্দ্র সেওয়াগ, গৌতম গম্ভীর, বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, রোহিত শর্মা, সুরেশ রায়না, রবীন্দ্র জাদেজা, আর অশ্বিন, ইশান্ত শর্মা, আজিঙ্কা রাহানে, অশোক দিন্দা, ভুবনেশ্বর কুমার, পিযুষ চাওলা, পরিবিন্দার আওয়ানা।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।