মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ মালালার

Update: February 5, 2013 11:00 IST

ঈশ্বর তাকে নতুন জীবন দিয়েছেন বলে মনে করে সে। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সকল কিশোরী, শিশুকে শিক্ষিত দেখতে চাই। বার্মিংহামের কুইনস এলিজাবেথ হাসপাতালে জোড়া অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রথম সাক্ষাতকারে এমনটাই জানালেন পাকিস্তানের কিশোরী মালালা ইউসুফজাই। 

মালালার দ্রুত আরোগ্য কামনায় হাসপাতালে প্রচুর কার্ড পাঠিয়েছেন তাঁর শুভাকাঙ্খীরা। শনিবার হাসপাতালে জোড়া অস্ত্রোপচার হয় মালালার। মস্তিস্কে টিটানিয়াম পাত বসানো হয়েছে। বাঁ কানে শুনতে না পাওয়ার সমস্য থাকায় করা হয়েছে ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্টেশনও। অস্ত্রোপচারের পর মালালার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিত্সকেরা। ইতিমধ্যেই দেশে শিক্ষার প্রসারের জন্য একটি ফান্ডও গঠন করেছে পাকিস্তানের পনেরো বছরের এই কিশোরী।   

Post Your Comment

Total Comments:4

Wish you a great success. We INDIANS are always with u to educated Pakistan and world also.

Hi Malala your idea is very good & proud.So I pray you your planing is successful as soon as possible. ThAnK yOu & BeSt Of LuCk.

You are great Ho

Osadharon protiva.. I salute for her spirit.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।