ভারতীয় দূতাবাসে নিরাপদে আছেন নসিদ

Update: February 13, 2013 17:44 IST

মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ নসিদকে মালের ভারতীয় দূতাবাসে আশ্রয় দিতে সম্মত হয়েছে ভারত। নসিদ এ দিন এক ইংরাজি সংবাদমাধ্যমকে টেলিফোনে বলেন, "আমি মালদ্বীপে ভারতীয় হাইকমিশনে রয়েছি।" সেখানে তিনি নিরাপদে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি।

মালদ্বীপের একটি আদালত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি নসিদকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে। ওই নির্দেশে স্থগিতাদেশ না আসা পর্যন্ত ভারতীয় দূতাবাসেই থাকতে চান নসিদ। দূতাবাস ভারতের আওতায় হওয়ায় সেখান থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারে না সে দেশের পুলিস। ফলত গ্রেফতারি এড়াতেই রাষ্ট্রপতির এই কৌশল বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

ভারতীয় দূতাবাসে তাঁর সঙ্গে ছ`জন সাংসদও রয়েছেন বলে খবর। একদিকে তিনি যখন ভারতীয় আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত, তখন হিংসা প্রতিহত করতে নিরাপত্তার মোড়কে ঘিরে ফেলা হয়েছে মালের ভারতীয় দূতাবাস। গত ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতের সমন লঙ্ঘন করার পরই নসিদের নামে ওয়ারেন্ট জারি করা হয়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।