বন্ধুর অভিযোগ অস্বীকার করল পুলিস

Update: January 5, 2013 22:14 IST

দিল্লি গণধর্ষণের ঘটনায় নিহত তরুণীর বন্ধুর অভিযোগ অস্বীকার করেছে দিল্লি পুলিস। তাদের দাবি, ঘটনার দিন রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও দেরি হয়নি। তবে আহত তরুণীকে পুলিসের পিসিআর ভ্যানে কে তুলেছিলেন, পুলিসকর্মীরা, নাকি তরুণীর বন্ধু, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গিয়েছেন দিল্লি পুলিসের কর্তারা।  

ঘটনাস্থল কোন থানা এলাকায় পড়বে তা নিয়ে একাধিক পিসিআর ভ্যানের মধ্যে বিবাদের অভিযোগও অস্বীকার করা হয়। দশটা একুশ মিনিটে পিসিআরে প্রথম ফোন গিয়েছিল। দশটা পঞ্চান্ন মিনিটের মধ্যে তরুণীকে সফদরজং হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয় বলেই দিল্লি পুলিসের দাবি।

কিন্তু ঘটনার দিন রাতে আহত তরুণীকে পুলিসের পিসিআর ভ্যানে কে তুলেছিলেন। পুলিস কর্মী, নাকি তরুণীর বন্ধু। সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের যদিও স্পষ্ট কোনও জবাব দিতে পারেনি দিল্লি পুলিস।

এফআইআর নম্বর ৪১৩১২-১৭/১২/১২। এই একটি মামলা যে এভাবে তাদের ভিত টলিয়ে দেবে, তা হয়তো ভাবতেও পারেনি দিল্লি পুলিস। সেদিনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিগৃহীত সেই তরুণ। যাঁর চোখের সামনে একের পর এক ঘটে গিয়েছিল সব ঘটনা। তাঁর সাক্ষাত্কারে সেকারণেই সম্ভবত এত উদ্বিগ্ন দিল্লি পুলিস।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।