খুশির ইদে সংখ্যালঘু উন্নয়নে একগুচ্ছ প্রকল্প ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Update: August 20, 2012 22:44 IST

খুশির ইদে রেড রোডে নমাজে অংশ নিয়ে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি রাজ্য সরকার সংখ্যালঘু উন্নয়নে একগুচ্ছ প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। অসমে হিংসা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শান্তিরক্ষার আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, অসম থেকে এরাজ্য আসা শরণার্থীদের জন্য সবরকম সাহায্য দিতে প্রস্তুত সরকার।

খুশির ইদ উপলক্ষে সোমবার সকালে রেড রোডে ছিল মানুষের ঢল। ইদের বিশেষ নমাজে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইদ উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে গত একবছরে সংখ্যালঘুদের উন্নয়নে তাঁর সরকারের কাজের খতিয়ানও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। সংখ্যালঘু উন্নয়নে ঘোষণা করেন একগুচ্ছ প্রকল্পও। ভাষণে তিনি বলেন, "আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু হয়ে গেছে"। সেইসঙ্গে রাজ্যের জেলায় জেলায় সংখ্যালঘু উন্নয়ন ভবন তৈরিরও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।
 
রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য উঠে এসেছে অসমে হিংসার প্রসঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অসম থেকে এরাজ্যে আসা শরণার্থীদের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। ভবিষ্যতেও হিংসা বিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে এরাজ্যে শরণার্থীরা এলে, তাঁদের সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
 
ইদ উপলক্ষে সম্প্রীতির বার্তা ছিলই। তবে পঞ্চায়েত ভোটের কথা মাথায় রেখেই এদিনের বক্তব্যে রাজনীতিকেও দুরে সরিয়ে রাখলেন না মুখ্যমন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।